পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমিষ ও নিরামিষ তাহার। ভূমিকা । দেবপূজা ও যজ্ঞের উৎপত্তি । স্বভাবের প্রতি দৃষ্টিপাত করিলে আমরা দেখিতে পাই, শিশু জন্মগ্রহণ করিয়াই মাতৃস্তন্তপানে পরিপুষ্ট হয়। দেখা যায় এই স্বাভাবিক নিয়ম মানব জাতির শৈশবাবস্থাতেও কার্য করিয়াছে ; মানব জাতিও অতি শৈশবে প্রকৃতিপালিত শিশু ছিল, প্রকৃতির স্তন্তরূপ ফল মূল আহার করিয়া জীবন ধারণ করিত। শৈশবাবস্থায় প্রকৃতিদত্ত ক্ষুধা বা অtহারেচ্ছাই মানবকে প্রধানতঃ উন্নতির পথে অগ্রসর করিয়া দিয়াছে । এই আদিমকালে মানবকে কে দেখি ত ? কে মানুষ করিয়া তুলিয়াছে ? স্বয়ং পরমেশ্বর পিতার স্যায় ও প্রকৃতি দেবী স্নেহময়ী জননীর দ্যায় স্বহস্তে লালন পালন করিয়াছেন। বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির ক্রোড় ত্যাগ করিয়া মানব যতই স্বাধীনভাবে বিচরণ করিতে শিখিল, ততই তাহার অস্তর্নিহিত ধীশক্তিও ধীরে ধীরে প্রস্ফুটিত হইয়া জগতের বিষয় জানিবার জন্ত উৎস্থক হইল। মানব সভ্যতার সেই প্রাক্কাল ব্ৰঙ্গমুহূর্তের ছায় অতি পবিত্র কাল । সেই উষাকালে প্রাকৃতিক দার্থসমূহ ধরণীর প্রথম সন্তানদিগের হৃদয়ে না জালি কত নব নব ভাব উদ্দীপিত করিয়াছিল। ইহা বৈদিক যুগেরও পূৰ্ব্বকালের কথা । এই অতি আদিম কালে হয়ত মানবের ভালরূপ বাক্যশ্বট হয় নাই। ভূ কিম্বা ওঁ ইহারি অনুরূপ অস্ফুট দুই চারিট , একাক্ষয় শব্দে ভাব ব্যক্ত করিক্ত । শিশুর গুtয় নিৰ্ব্বাক ধ্যানমগ্নের অবস্থা 8冷