পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায়। H 8දී) ৫৯। আলুসিদ্ধ। প্রণালী।-আলু গুলিব খোসা পরিষ্কার করিয়া ছাড়াইয়া জলে আধঘণ্টা কিম্বা একঘণ্ট। ভিজাইয়া রাখ ; আলুর খোসা ছাড়াইবার সময় চোখগুলি ভাল করিয়া উঠাইয়া ফেলিবে । আলু যত ভিজিযে তত শাদ হইবে এবং খাইতেও তত ভাল হইবে। প্রচুর জল দিয়া (বাহাতে আলুগুল বেশ ডুবিয়া যায়) আলুগুলা সিদ্ধ করিতে চড়াইয়া দাও । অtধ তোলা মুন জলে ফেলিয়া দাও । ছাড়ি ঢাকিয়া রাখ, যখন বুঝিবে, আলু সিদ্ধ হইয়াছে, তখন একটা কাটা দিয়া বিধিয়া দেখিবে, যদি বিধিবামাত্র কাটা ভিতরে প্রবেশ করিয়া সহজে বাহির হইয়। আসে, তাহ হইলে বুঝিবে ঠিক আলুসিদ্ধ হইয়াছে । তায়পরে জল ঝরাইয়া ফেল, এবং উনানের পাশ্বে ঢাকনা খুলিয়া হাড়ি রাখিয়া দাও, তাহ হইলে আলুর গায়ে যেটুকু জল থাকে, সব শুকাইয়া যাইবে । আলুসিদ্ধ হইতে মিনিট পনের হইতে প্রায় পঁচিশ মিনিট পৰ্য্যন্ত সময় লাগে। নুতন কচি আলু শীঘ্ৰ দশ পনের মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ যাহাকে কথায় বলে “এক ভাপে” সিদ্ধ হইয়t যায় । গুণাগুণ।—আলুকং শীতলং সৰ্ব্বং বিপ্লন্তি মধুরং গুরু। স্বল্পমুত্রমলং রুক্ষং দুর্জরং রক্তপিত্তমুং। কফানিলকরং বল্যং বৃৰ্য্যং স্তন্যবিবৰ্দ্ধনম্। (ভাব প্রকাশ) সকল প্রকার আলুই শীতল, বিষ্টপ্তি, মধুর, গুরুপাক, মগ, মূত্রকর, রুক্ষ, দুৰ্জ্জর, কফুকর, বাতপ্রকোপক, বলপুষ্টিকর, স্তন্যবৰ্দ্ধক ও রক্তপিত্ত্বের শান্তিকারক ।