পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


هله জাতির অপেক্ষ শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করিয়াছিলেন । , দৈত্য দানব প্রভৃতি অদ্যান্য জাতিগণ জ্ঞানচর্চায় উন্নত না হইয়া কেবল অধিক মাত্রায় হিংসা কাম ও ক্রোধ প্রভৃতি ব্যসনে আসক্ত হইয়া দেবতাদিগের সহিত শক্রতা আচরণ কfরত। ক্রমে উন্নতির পথে অগ্রসর হইতে হইতে দেবতারা সভ্যতার উচ্চতর শৃঙ্গে আরোহণ করিতে লাগিলেন আর দৈত্য দানবেরা অবনতির ঘোর অন্ধকারে নিপতিত হইল । পুৰ্ব্বেই বলিরাছি আদিমকালে আহারেচ্ছাই মানবকে উন্নতির পথে অগ্রসর করিয়াছে। এই আহারেচ্ছাটা কি না প্রকৃতপক্ষে আহরণেচ্ছ । প্রথম হইতেই মানব আত্মরক্ষার জন্তু প্রকৃতি হইতে নানা বিষয় আহরণ করিতেছে। সকল প্রকার আহরণের মুল হেতুই আত্মরক্ষা । এই আত্মরক্ষার ভাব যদি ঈশ্বর না দিতেন তাহা হইলে কেহই কোনরূপ আহরণ কার্য্যে নিযুক্ত হুইত না । কিন্তু এই আত্মরক্ষার ইচ্ছা নীরসম্ভাবে সম্পন্ন হওয়া দুষ্কর, কারণ আত্মরক্ষারূপ ভাবের প্রেরয়িত পরমেশ্বর স্বয়ং রসস্বরূপ-রসে বৈ সং । সেই হেতু আত্মরক্ষার একটী বিশেষ উপাদান রসাহরণ । এই রসের আনন্দের জন্য মানব, আহাঁরের উৎকর্ষচেষ্টায় প্রবৃত্ত হয়। এই রসের "ন্দের জন্যই দেবতার সে কালে ক্রমে ধীশক্তি ও জ্ঞানবলে নানাবিধ স্বস্বাদু মানবোপবোগী খাদ্য আবিষ্কার করিতে লাগিলেন, কোনটী খাইতে সুস্বাদু ও কোনটী খাইলে বিশেষ বলধান ও পুষ্টি লাভ হয় সেই সকল নিৰ্ব্বাচন করিয়া ফল মূলের রসাস্বাদে পরিতৃপ্ত হইতেন। যেমন সোমলতার নানাপুষ্টিকর গুণ থাকায় সে সময়ে সোমরস দেবতা দিগের বড়ই প্রিয় হইয়া উঠিয়ছিল । গো-ছাগ প্রভূতি পশুগণকে ও, আহারের জন্ত ও নানা