পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায়। Yoነፃ খাইলেও যায়। আর খি মাথা ভাতে ওল ও কচু মাখা থাইতে নাই, মুখ কুট কুট করে। ভাত খাইবার প্রথমেই, শুধুভাত দিয়া ওল বা কচু মাখা থাইয়া, তার পরে অন্যান্ত তরকারী দিয়া ভাত খাইলেই ভাল । গুণাগুণ।--মানক শোথঙ্কচ্ছতঃ পিত্ত্বরক্তহরে লঘুঃ । ( ভাব প্রকাশ ) মানকচু শীতল, লঘু, এবং শোথ ও রক্তপিত্তের শান্তিকারক। ১২১ । পেয়াজ পোড়া । প্রণালী –পেঁয়াজ উনানের ভিতরে গরম ছাইয়ে ফেলিয়া দিয়া পোড়াও । উপরের খোসা পুড়িয়া গেলে পেঁয়াজগুলি বাহির করিয়া ঠাণ্ড হইতে দাও ; তার পরে পোড়া খোস! উঠাইয়t ফেল । ইহার উপরে মাখম মারা ঘি, একটু গোলমরিচের গুড়া আর একটু মুন ছড়াইয়া দিয়া থাইতে দাও। গুণাগুণ –পলাণ্ডু মধুরো বৃষা: কটুঃ প্লিন্ধোইনিলাপহঃ । বল্যঃ পিত্তাবিরোধীচ কফমুত্তপণে গুরুঃ ॥ ( রাজবল্লভ } পেয়াজ মধুর, বৃষ্য, কটু, স্নিগ্ধ, বায়ুনাশক, বলকর, পিত্তের অবিরোধী, কফনাশক এবং তৃপ্তিকর । চরকের মতেও ইহা বলকর, আহার যোগ্য, রুচিকর, ধাতু পুষ্টিকর, গুরু, ও বায়ুনাশক । অধিকন্তু চরক ও ভাবপ্রকাশ উভয়েরই মতে পেয়াজ শ্লেক্সল। রাজবল্পত কিন্তু পেয়াজের গুণ কফনাশক বলেন ; যাহাই হউক এবিষয়ে রাজবল্লভের সহিত্ত পাশ্চাত্য মতের ঐক্য আছে দেখা যায়। ২৩