পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


めbネ আমিষ ও নিরামিষ আহার । তোলা মুন মিশাইয়া, তিন চারি বীর ডালবাট ফেটাইবে । এই ডালবাট যেন পাতলা পাতলা না হয়, অপেক্ষাকৃত শক্ত শক্ত হওয়া চাই। ডাল বাটিবার সময় বেশী জল দিয়া না বঁটিলেই শক্ত শক্ত হইবে। তার পরে একটি কলাপা হাতে জড়াইয়া, অথবা লাউ কি কুমড়া পাতাতে জড়াইয়া, উনানের নরম আঁচে পোড়াইতে দাও । একপিঠ পোড়া-পোড়া হইলে আর একপিঠ উন্টtইয়া দিবে। এখন ইহার উপরের পাতা খুলিয়া ফেল । হাত দিয়া মাখিতে গেলেই দেখিবে বেশ যুর ঝুরে হইয়া যাইতেছে ; ইহাতে ইচ্ছামত আর একটু মুন, তেল ও কাচা লঙ্ক মাখিয়া থাও । নেবুর রস মাখিলেও বেশ হয়। ভোজন বিধি।—ডাল সেকা গরম গরম শুধু ভাত, পান্তভাত এবং ফেনসাভাতের সহিত খাইতে ভাল লাগে । _ ১২৮ ৷ ধু ছল পোড়া । প্রণালী –ধু স্কুল পোড়াইয় তাহাতে মুম, তেল মাখিয়া খাই তেও মৰ্ম্ম লাগে না । ১২৯ । শসার পাতা পাতপোড়া । প্রণালী —শলীর পাতা পাতপোড়া করিয়া তেল মুম মাখিয়া খাবারের সময়, আগে বীর দুই তিন থাইবে এবং ভাতের সঙ্গে গ্রাসে গ্রাসে বার কয়েক খাইবে ;-অরুচি ভাল হইবে। ১০০ । শিম ও বৃৰ্ব্বটী ভাতে । প্রণালী ।--শিম ও বৰ্ব্বট ভাতে দিয়া মুন, তেল মাখিয়া খাঁও । ১৩১ ৷ কচি বেত ভীতে । প্রণালী -যেমন বঁাশের অঙ্কুরকে বাঁশের কোড় বলা হয় সেই রকমবেতের অঙ্কুরকে বেতের গাজ বলে। ইহা বর্ষাকালে পাওয়া যায়।