পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যার । እboፄ জীধখানা করিয়া ভাঙ্গ ; জল বাহির করিয়া ফেল। এখন একখানি চুরি বা কাটারি দিয়া নারিকেলের শাসের উপরে দাগ দিয়া, তারপরে শাসের নীচের দিকে চাড় দাও, তাহ হইলেই খুলিয়া যাইৰে । এইবারে ছোট ছোট চৌক পাশার গঠনে কাট। নারিকেলের পিছনের পাতলা খোসা ছাড়াইয়া ফেলিলেও হয় অথবা রাখিয়া দিলেও কোন ক্ষতি নাই। নারিকেল গুলিতে এক চুটকি মুন আর এক চুটকি হলুদ বাট মাথাও । হলুদ বঁটা না মাখিতেও পার। অtধ ছটাক নারিকেলের জন্ত এক ছটাক আন্দাজ সরিষা তেল কড়ায় চড়াও । মিনিট তিন পরে, তেলের ধোয়া বাহির হইলে, নারিকেল গুলি ছাড়। বাজরি বা খুন্তি দ্বারা নাড়িতে থাক। তামাটে রং হইয়া আসিলেই নারিকেল গুলি বীজরি করিয়া তেল হইতে তুলিয়া রাখিবে। নারিকেল ভাজা হইতে প্রাপ্ত মিনিট তিন, সময় লাগিবে । ভাত বা খিচুড়ির সঙ্গে কাচ নারিকেলও কাটিয়া দেওয়া হয়। গুণাগুণ –নারিকেল ভাজি সুস্বাক্স কিন্তু সহজে জীর্ণ হয় না। ১৩৫ । বড়িভাজ । প্রণালী –ভাঞ্জিবার জন্তই সচরাচর তিল দিয়া ছোট ছোট বড়ি তৈয়ারী করা হয়। ইহার জন্যও ভাস তেল চড়াইবে । আাধ ছটাক বড়ির জন্য এক ছটাক আন্দাজ সরিষা তেল চড়াইবে । তেল চড়াইবার মিনিট তিন চার পরে, তেলের ফেনী মরিয়া আসিলে কড়া নামাইয়া বড়িগুলি ছাড়িবে। তার পরেও জার একবার কড়া উনানে চড়াইয়া দিবে। তেলের একটু বেশী ধোয়৷