পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৩০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छूडीौग्न अक्षांश्च । ১৯৭ উণ্টাইয়ু পাণ্টাইয়া দিবে। এই রকম আস্তে আস্তে ভাজিতে প্রায় ছয় সাত মিনিট লাগিবে । এইবারে একটি র্কাচ কাগজি নেবুর (রসাযুক্ত নেবু না পাইলে কড়ই নেৰু অৰ্থাৎ কাচা কচি নেবুতেই চলিৰে) খোসায় একটু झन লাগাইর, খোসার দিকটা একটি ভাত খাইবার পাথরের পাত্রে ঘষ’, ক্রমে মুন গলিয়া গেলে, সেই মুনে পটোলগুলা মাখিয়া লও। নেবুর্ঘ রসটাও দাও, আর দুই চুটকি গরম মশলার গুড়া छ्फुद्देब्र झाँ७ ।। এই পটোল ভাজি বড় রুচিকর ; ইহা রোগীর পথ্য স্বরূপেও ব্যবহৃত হইতে পারে। ভোজন বিধি।-ইহা লুচি, ভাত দুয়েতেই খাওয়া যায়। ১৫• । পটোল ভাজা । প্রণালী।--দশটা পটোলর খোসা, বাধাইয়া ছাড়াইতে হইবে অর্থাৎ পটোলগুলির গায়ে থানিকটা করিয়া খোসা রাখিতে হুইবে অল্প থানিকটা ছাড়াইতে হইবে । তার পরে পটোলগুলি অৰ্দ্ধেক করিয়া চিরিবে, কিন্তু একেবারে দ্বিখণ্ডিত যেন না হয়। পটোলগুলি ধুইয়৷ এক চুটকি মুন ও এক চুটকি হলুদ বঁটি মাখিয়া রাখ। এক ছটাক তেল চড়াও ; মিনিট তিন পরে, তেলের খুব ধোয় বাহির হইলে, পটোল ছাড়িবে। তিন চার মিনিটের মধ্যে, ভাজা হইয়া যাইবে। ইহার রং সবুজ সবুজ অথচ লালচে লালচে হইবে। ১৫১ ৷ খইয়ের বড় । উপকরণ।-খই আধ পায়, নারিকেল পাঁচ কাচ্চ (এক