পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৩১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায়। ՀՖ » সুন্দর হয় তাহা নয়, আশ্বাদেরও তারতম্য হয়। বেগুন অনেক রকমে বানান হুইয়া থাকে। যথা আস্ত বেগুন, আধখানা,চার চির, ভুমে, অৰ্দ্ধ চাকা, চাকা ইত্যাদি । ভাঞ্জিবার জন্য বেগুন কচি (রেগুনের ভিতর ফুলের মতন নরম থাকিবে, বিচি-গজগজে হয় মা বেন), টাটুক! অথচ বড় দেখিয়া বাছিয়া লইবে, তাছা হইলে বেগুন ভাজা থাইতে অধিকতর সুস্বাছু লাগিবে। আস্ত বোটাশুদ্ধ বেগুনটির লম্বীতে ঠিক মধ্যে, একটি বা দুইটি চির চিরিয়া দিবে, তাহা হইলে ইহা দুই অথবা চারি ভাগে বিভক্ত হইবে, অথচ আত্মট থাকিবে। এই চিরিয়া দিবার অভিপ্রায় এই যে সহজেই ভিতরে সিদ্ধ হইয়া যাইবে । বেগুনটকে মধ্যখানে একেবারে দ্বিখণ্ডিত করিলে আধখান। কল্লিযু কাটা হয় । বেগুনকে চারিট চিয়ে বিভক্ত করিয়া কাটিলে, তাহা চার চেরা হইবে । যড় বেগুন চার চির করিয়া কটিয়া তাহ আবার আড়ে। চারটুকরা করিয়া কাটিলে অর্থাৎ একটি বেগুনকে আট টুকর কাটিলে, তাহাকেই ভুমোকাটা বলে। বেগুনটকে গোলাকার চাক চাকা করিয়া কাটিলে, তাহাকে 5ाँकt-कीछे दtण । বেগুনটকে প্রথমে লম্বা দিকে অৰ্দ্ধেক করিয়া কাটিয়া, তাহাই আবার চাক চাকা করিয়া কাটিলে, তাঁহাতেই অৰ্দ্ধচাকা-কাট इहेद । যে কোন প্রকারে বানাইয়া একটু হলুদ বঁটা, ও মুন মাখিয়।