পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৩৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায়। १३१ আলু মাঝারি অঁাচে ভাজিতে হয়, জলন্তও হইবে না অথচ খুব নরম আঁচও হইবে না । আলু ভাজিতে বেশী বি চড়াইলেও খুব কম ঘি পোড়ে, প্রায় যেমন ঘি তেমনিই থাকে। ১৮৪ । সিমাই আলুভাজি । উপকরণ।-আলু আধ পোয়, তেল বা ঘি এক পোয়া, মুন সিকি তোলা । প্রণালী।—বানাইবার গুণে, এই আলুভাজির নাম সিমাই আলুভাজি হইয়াছে। এই রকম করিয়া আলু বানাইলে বেশ দেখিভে হয় । প্রথমে আলুর খোসা ছাড়াও ; ডান হাতে ছুরি ধর আর বা হাতে আলু ধর,—ডান হাতের বুড়ে আঙ্গুল একটু বাড়াইয়া দিয়া আলু এবং ছুরিকে ঠিক রাখ, যেন কোনটাই নড়িতে না পায়। তার পরে বা হাতে আলু ঘুরাইয়া ঘুরাইয়া যাইবে, আর ডান হাতের ছুরি দিয়া ঠিক দুই আঙ্গুল চওড়া এবং পাতল ফিতার মত করিয়া বানীও । এই ফি তা আবার গুড়াইয়া লইয়া সরু সরু করিয়া কীট , তাহা হইলে দেখিবে, ঠিক এক একটা লম্বা মুতার মত দেখিতে হইয়াছে। এই আলুর স্বতাগুলি জলে ধুইয়। জল ঝরাইতে দাও । তেল চড়াও ; তেল পাকিতে আট নয় মিনিট লাগিবে। ছু তিন মিনিটের মধ্যে ধোয়া উঠিয়া গেলেও ব্যস্ত হইবার অাবশুক নাই । বেশীক্ষণ তেল্লটা পাকিলে তেলের এক রকম গন্ধ বাহির হইবে, আর মনে হইবে যেন তেলটা খুব হালকা হইয়া