পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৩৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Roby আমিষ ও নিরামিষ আহায় । প্রণালী ।--এক এক গাছি বেতোশাকের আগার দিকের ঝাড় এক বিঘৎ লম্বা করিয়া কাটিয়া ধুইয়া রাখ । বেশন জল দিয়া গুলিয়। শাদ করিয়া ফেটাও, এবং ইহাতে মুনটুকু মিশাও। এবারে বেতোশাকগুলি এই বেশনের গোলাতে ডুবাও । কড়ায় তেল চড়াও ; তেলের ধোয়া উঠিয়া গেলে বেতোশাকে বেশ করিয়া গোলা মাথাইয়া তেলে ছাড় । ছ তিন মিনিটের মধ্যে বেশ লাল লাল হইয়া আসিলে নামাইবে । ইহার একটা ভাল গন্ধ আছে সেই জন্য থাইতে ভাল লাগে । গুণাগুণ-–লঘুর্বিপাকে ক্রিমিহা মেধাগ্নিবলবদ্ধন । সক্ষীরঃ সৰ্ব্বদোষন্ত্রো বাস্তুকে রোচনঃ সরঃ ॥ ( রাজবল্লভ : ) ‘বেতো শাক লঘু ক্রিমিনাশক, মেধা, অগ্নি ও বলবদ্ধক, ক্ষার যুক্ত, সৰ্ব্বদোষ নাশক, রুচিকর ও সারক । ২৩১। ওল বা কচু ভাঙ্গ । উপকরণ –ওল বা কচু দেড় ছটাক, মুন দুয়ানি ভর হলুদ এক চুটকি, তেল দেড় ছটাক, জল তিন পোয়, তেঁতুল দুই ছড়া । কচু বা ওল বাছিবার উপার-ভাজিয়া খাইতে মানকচুই ভাল। ওলের গা খুব লাল হইলে আর উহার গায়ের চারিদিকে মুখী বাহির হইয়াছে দেখিলে, সেই ওলিষ্ট ভtল বুঝিবে। ওল ও কচু রৌদ্রে শুকাইয়ু লইয়া জগ মারিয়া লইতে হয়, তাহা হইলে আর মুখ কুট কুট করে না । প্রণালী -কচু বা ওল একটু পুরু পুত্ব অৰ্দ্ধ চক্রাকারে বালাইয়। জলে ফেল। যতক্ষণ ইহার দুধের মত জল বাহির হয় ততক্ষণ