পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৪৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তম অধ্যায়। భీtు কোন তরকারীর উপরে ছড়াইয়া দিলেও বেশ হয়। তাহার সুবাসেই থাইতে ইচ্ছা করে। মৌরী, মেতি ও কালজীর সমান ভাগে মিশাইয়া তিন ফোড়ন প্রস্তুত করিতে হইবে। লঙ্কার বীচি ইচ্ছামন্ত মিশাইতেও পার। তরকারীতে শুক্লালঙ্কা প্রায় ফোড়ন দিতেই হয়, সেই জন্য লঙ্কার বাঁচি তিন ফোড়নে মিশাইবার আবশুক নাই । ৩৩৮। ধনে ভাজ ও জীরা ভাজা । অনেক রাস্নায় ভীল গন্ধ করিতে চাহিলে গোটা ধনে ও জীরা ভাজিয়া ফাকি করিয়া তাহার উপরে ছড়াইয়া দিলেই বেশ ভাল গন্ধ হইবে। কিন্তু জীীরার পরিমাণ অধিক চাহি আর গোটা ধনের অপেক্ষাকৃত কম দিতে হইবে। ৩৩৯। গরম মশলার গুড় । দারচিনি সিকি কাচ্চ, লঙ্গ আট দশটা, ছোটএলাচ দুইটা এই পরিমাণে গরম মশলা গুড়াইয়া একটি শিশিতে পুরিয়া রাখিবে। তাছা হইলে আর প্রতি দিন গুড়াইতে হইবে না। এই তিনটী গরম মশলা প্রধান বলিয়া আমরা এইখানে উল্লেখ করিলাম। ইহা ছাড়াও জায়ফলাদি গরম মশলার গুড়াও কোন কোন রাল্লায় লাগে, কিন্তু এই গুলির অভাবে উপরোক্ত তিনটী থাকিলেই বেশ কাজ চলিয়া যাইতে পারে। প্রায়ই আগুণ হইতে তরকারী নামাইয়া তবে গরম মশলার গুড় দিতে হয়। ৩৪০ । ময়দী তাজ । “কতকগুলি য়াপ্লাতে ময়দ ভাজা দিলে তাহার সুস্বাদ হয় । ময়দা কাঠখোলায় চমকাইয়া শিশিরে পুরিয়া রাখিবে অনেক দিন