পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৪৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্লম অধ্যায় । భీళ్చు এক পেীয় ধানে প্রায় আধ পোয় কি তিন ছটাক থই श्८६ ! . এইরূপে থষ্ট ভাজাকে বালিখোলীয় ভাজা বলে। কাঠখোলায়ও (বালি বিনা) খই ভাজ। যায়। ৩৪২ । কাঠখোলায় চমকনি । শুক্ল তা ওয়ায় বা হাতায় অথবা কড়াতে ধনে জীরা প্রভৃত্তি মশগ কি অন্ত কিছু ঈষৎ ভাজিয়া লওয়াকে "কাঠখোলীয় চমকান’ বলে । ৩৪ত । হাতীপোড় । অনেক লোকের জন্য ডাল, ঝোলাদি রাধিয়া তাহা আবার ঢালিয়া সাতলাইতে বড় কষ্টকর হয় সেই জন্য তখন এই হাতীপোড়ায় সাতলান ভাল । একটি হাতায় ঘি বা তেল চালিয়। উনানের উপরে চড়াও । তা বলিয়া হাতার আগীয় ছাই লাগাইবার আবশ্যক নাই। হাতাট ঠিক আ গুণের উপরেই ধরিলে হইবে । তেল বা ঘিয়ের ধোয় বাহির হইলে ঘোড়ন ছাড়িবে। ফোড়নগুলি চুড় চুড় করিয়া ফুটিয়া যাইলেই ডাল বা বোলের ভিতরে হাতাটা ডুবাইয়া দিয়া সবট একবার নাড়িয়া দিবে। ইহা ‘হাতাপোড়া সাতলান। ৩৪৪ ; তেল বা ঘি পাকা । তেল চড়াইলে পর যখন ইহার চড় চড় শব্দ থামিয়া গিয়া ইহা হইতে ধোয়া বাহির হইবে এবং তেল যখন হালকা রকম হইয়া আসিবে, তখনি তেল পাকিয়া আসিয়াছে বুঝিবে। তেল এই রকম পাকিস্থা আসিলেই রাধিবার জন্য তরকারী ছাড়িতে হইবে। তেল পাকিতে প্রায় আট নয় মিনিট পৰ্য্যন্ত সময় লাগে ।