পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


و لد الا স্বস্বাছ খাদ্য আবিষ্কৃত হইবার পর হবিপক খাদ্যসমূহও ক্রমে যজ্ঞে প্রবেশ লাভ করিল। পূৰ্ব্বেই বলিয়া আসিয়াছি যে শ্রদ্ধাসহকারে দেবারাধনার কারণে ছবি উৎসর্গ হইতেই যজ্ঞের উৎপত্তি । এই যজ্ঞ ক্রমে শাখা প্রশাখার বিস্তার লাভ করিয়া সুবিশাল বৃক্ষে পরিণত হইয়াছে। প্রাচীনকালে যজ্ঞ প্রধানতঃ দুই ভাগে বিভক্ত ছিল ;– শ্রেীত ও গৃহ । তাহার মধ্যে গুহা যজ্ঞ আবার তিনটা উপবিভাগে বিভক্ত ;–দৈনিক পঞ্চযজ্ঞ, বিবাহাদি সংস্কার যজ্ঞ ও পাকযজ্ঞ । দৈনিক পঞ্চ যজ্ঞ প্রতিদিন অfচরণ করা বিধি এবং সংস্কার যজ্ঞ উপবীত বিবাহদি বিশেষ ক্রিয়fকৰ্ম্মে অঙ্গুষ্ঠান করা বিধি । পাকযজ্ঞ গুলি পূর্ণিমা প্রভৃতি পৰ্ব্ব দিনে এবং ঋতুতে ঋতুতে অতুষ্ঠেয়। এই পাক যজ্ঞের সহিত আহার পাকের যে বিশেষ ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ তাহ পাক যজ্ঞ’ নামেই বুঝা যায়। ঋতু পরিবর্তনে যে নব নব শস্য ও ওষধির আবির্ভাব হয় তাহার প্রকৃত সদ্ব্যবহারের জন্যই পাকযজ্ঞ উৎসব অহুষ্ঠিত হইত। পাক্যজ্ঞের বিধানে শরৎ, হেমন্ত, শীত প্রভৃতি বিভিন্ন ঋতুর অনুসারী বিচিত্র খাদ্যভার প্রস্তুত করিয়া ঋষিরা পাকঘজ্ঞোৎসব মুসম্পন্ন করিতেন । শরতের অfর স্থা বধি শীতের শেষ পর্য্যস্ত পাক "জ্ঞর বিশেষ কাল বলিয়া নিৰ্দ্ধারিত ছিল। এই কালে ওষধি ও শস্য সমূহ প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয় বলিয়া ইহাই পাব যজ্ঞের উপযুক্ত কাল । শরতের প্রারম্ভে শ্রাবণ মাসে শ্রবণাকৰ্ম্ম, আশ্বিন মাসে আশ্বযুদী কৰ্ম্ম, অগ্রহারণে নববজ্ঞ ও পৌষ ও মাঘে অষ্টকাদি কৃত্য বিশেষভাবে পাক্যজ্ঞের অঙ্গীভূত ছিল। এই সকল ক্রিয়াকৰ্ম্মের সময়ে দর্শক, পরিজন, ও নিমন্ত্রিত ব্যক্তিগণকে হোমাবশিষ্ট খাদ্য সমূহ যথfভাগ খাওয়ান হইত। অগ্রহায়ণের ‘নব