পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ه أميالا যজ্ঞে সম্পন্ন কুরিার কালেৰে নিয়ম পালিত হইত তখি বৈদিক গৃহ্যস্থত্রে স্পষ্টই লিখিত আছে— “ছবিকৃচ্ছিঃশেষং প্রাশয়ে যাবস্তু উপেতাঃ স্না:। উচ্ছিষ্টশেষ উৎসর্গীকৃতস্য শেষং ছবিঃ’ যাবস্তুঃ' দর্শকাঃ পরিজন নিমন্ত্রিতাশ্চ উপেত। তত্রাগতা: স্থাঃ তান সৰ্ব্বানেবাবিশেষেণ প্রাশয়েৎ’ “উৎসৰ্গীকৃত হবির অবশিষ্ট লইয়। তত্ত্বাগত দর্শক, পরিজন, নিমন্ত্রিত সকলকেই যথাভাগ খাওয়াইবে” । * অধিকাংশ আধুনিক হিন্দু উৎসবগুলির মূলে প্রাচীনকালের পাক্যজ্ঞোৎসব বিদ্যমান। কোনটা বা পাক্যজ্ঞের অপভ্রংশ কোনটী বা উহার নব সংস্করণ মাত্র। যেমন শ্রবণাকৰ্ম্ম “পেীর্ণমাসাং কৃত্যম্’। শ্রাবণী পূর্ণিমাতে প্রথম শ্রবণাকৰ্ম্ম করিতে হয়। বর্তমান কালের হিন্দুস্থানের ‘রাখীবন্ধন ও বঙ্গের পুণ্যাহ এই প্রাচীন শ্রবণ কৰ্ম্মের নব সংস্করণ মাত্র। এইরূপ অধুনাকালের তুর্গা পূজা, কোজাগরীকৃত্য প্রভৃতি প্রাচীনকালের আশ্বিনী পূর্ণিমায়ু পালনীয় বৈদিক আশ্ব-যুজী কৰ্ম্মের স্থান অধিকার করিয়াছে। এক্ষণে যেমন দুর্গাপূজা'র কালে সমস্তই শিব লইয়া ব্যাপার সেইরূপ আশ্বযুঞ্জীকৰ্ম্মেরও নায়ক রুদ্রদেবতা। “আশ্বযুজ্যাং পৌর্ণমাম্যাং পৃষাতকে পায়সশচন্ধু রৌদ্রঃ। “আশ্বিন মাসের পূর্ণিমাতে পৃষতিক অর্থাৎ স্কৃত মিশ্রিত দুগ্ধ সম্পাদন পূর্বক রূত্র দেবতাকে তুষ্ট করিবার অভিপ্রায়ে পায়স চকু পাক করিবে।" বৈদিক ‘নব যজ্ঞের নব সংস্করণ অধুন। কালের 'নবান্ন’ । বৈদিক কালের অষ্টকাকৰ্ম্মের স্থলে পৌষ পাৰ্ব্বণ

  • গোস্তিল গুঙ্গসুত্র । ,