পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


९९ প্রভৃতি অধিকার করিয়াছে ইত্যাদি। ইহাতে বুঝা যাইতেছে "পাকযজ্ঞ’ এক কালে বড় অল্প প্রভাব বিস্তার করে নাই। শ্রাবণ অবধি মাঘ ফান্ধন পৰ্য্যস্ত কয়েক মাস এই পাক্যজ্ঞেfৎসবের কারণে আজও হিন্দুর চক্ষে পুণ্য মাস। আমাদের ‘পুণ্যাহ প্রথার মূলে এই পাক্যজ্ঞোৎসব। শ্রাবণ মাসে পুণ্যাহ’ সম্পন্ন হইয়া থাকে। এই পুণ্যাহ'র মূলে বৈদিক শ্রবণা কৰ্ম্ম। শ্রবণাকৰ্ম্মই বৎসরের প্রথমে নানা পুণ্যোৎসবের দ্বার উন্মুক্ত করিয়া দের বলিয়াই ইহা বিশেষ ভাবে পুণ্যাহ’ নামের অধিকারী হইয়াছে । হোমদির দ্বারা সুবৃষ্টি হইয়া কিসে শস্যাদি ভালরূপে উৎপন্ন হয় ও ওষধি সমুহ ফলগৰ্ভ হর এবং শস্যাদি ভালরূপে জন্মিলে কিসে তাহার সদ্ব্যবহার হয় পাকযজ্ঞের তাঁহাই লক্ষ্য। এই সকল যজ্ঞ কৰ্ম্মের জন্যই শ্রাবণ অবধি মাঘ পর্য্যন্ত এই কয় মাস হিন্দুর নিকটে পুণ্য মাস রূপে চিরকাল পরিগণিত হইয়। আদিতেছে। যে নিঃস্বর্থপর দেব শ্রদ্ধা হইতে যজ্ঞের উৎপত্তি হইয়াছে দ্বিজেরা যজ্ঞের সে নিঃস্বার্থপরতা ও পবিত্রতা স্থিরতর রাখিতে চির দিন যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়া আসিয়াছেন। যজ্ঞকালে আহারাদির দ্বারা লোকসেবা প্রভৃতি সৎকৰ্ম্মের দ্বারা শ্রদ্ধা প্রীতি প্রভৃতি সৎবৃত্তি চর্চার প্রকৃষ্ট পথ খুলিয়া গিয়াছেন। সকল বস্তুই অসৎ লোকের হস্তে পড়িলেই তাছা অসদ্ভাবাপন্ন হইতে আরম্ভ হয়। যজ্ঞেরও মধ্যে যে সে অসদ বস্থা হয় নাই তাহা নহে। এই পাশ্চাত্য যুগে যেমন বিজ্ঞানের দ্বারা লোকের ভূরি ভুরি উপকার হইতেছে সত্য, কিন্তু এমনও বৈজ্ঞানিকেরা আছেন র্যাহার এই বিজ্ঞানকে সহায় করিয়া নানাবিধ মানুষ মারিবার যন্ত্র উদ্ভাবনে আধুনিক উৎসব ও পাকষজ্ঞের,সম্বন্ধ বিষয়ে পরে আলোচিত হইবে । -