পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રle “নানাবিধ যজ্ঞই প্রাচীন হিন্দুগণের ধৰ্ম্মানুষ্ঠান ছিল, এবং হিন্দুগণ নানা শাস্ত্রে যে ক্রমশঃ উন্নতি ও জ্ঞানলাভ করেন, তাহাও যজ্ঞানুষ্ঠানমুলক যজ্ঞসম্পাদনার্থ স্বৰ্য্য চন্দ্র বা নক্ষত্রের গতি দর্শন করিয়া তাহারা জ্যোতিষশাস্ত্রে জ্ঞান লাভ করেন । যজ্ঞে বিশুদ্ধরূপে মন্ত্র উচ্চারণ করিবার উদ্দেশে তাহার ক্ষে নিয়মগুলির অালোচনা করিতে লাগিলেন, তাহা হইতে ‘দেববিদ্যা ব্রহ্মবিদ্যা’ এবং ব্যাকরণের উৎপত্তি, এবং যজ্ঞসম্পাদনার্থ যে চিতি প্রস্তুত করিবার আবশ্যক হইত, তাহারই নিয়মসমূহ হইতে জগতে জ্যামিতি শাস্ত্রের উৎপত্ত্বি ।” পুৰ্ব্বেই একরূপ বলিয়া আসিয়াছি যে ভারতের আয়ুৰ্ব্বেদ, স্বfহ দেশে বিদেশে চিকিৎসা শাস্ত্রের বীজ বপন করিয়াছে, তাহা যজ্ঞেরই ফলমাত্র ; কারণ যজ্ঞহোম প্রভৃতি যে অথৰ্ব্ববেদের সৰ্ব্বস্ব, সেই অথৰ্ব্ববেদই আবার আয়ুৰ্ব্বেদের জন্মদাতা । আয়ুৰ্ব্বেদীয় গ্রন্থে আয়ুৰ্ব্বেদকে স্পষ্টই অথৰ্ব্ববেদের অঙ্গ বলিয়া উক্ত হইয়াছে।-- “অথৰ্বান্তর্গতং সম্যগায়ুৰ্ব্বেদঞ্চ লব্ধবান” (ভা, প্র,) প্রকৃত কথা এই যে, যজ্ঞের জন্য ঋযিদিগকে ঔষধি ও ফল মূল প্রভৃতি অরণ্য হইতে আহরণ করিয়া আনিতে হইত, এবং তাঁহারই নব নব ঔষধি ও ফল মূল প্রভৃতি আবিষ্কৃত হইয়া ঋষিসভায় তাহাদিগের গুণাগুণও পরীক্ষিত হইয়। যাইত। তাই ভারতের আয়ুৰ্ব্বেদে আমরা যেমন ফল মূল প্রভৃতির প্রত্যেকটর গুণাগুণ বিশদরূপে জানিতে পারি, এমন আর কোন বিদেশীয় গ্রন্থের দ্বারা জানিতে পারি না । 总 -কিন্তু ঋষিরা অগ্নির প্রতি এত অধিক শ্রদ্ধা ও সমাদর প্রকাশ করাতে অনেকে ভ্ৰমে পতিত হয়ূেন যে, তাহারা অগ্নিপুজক ছিলেন। কিন্তু ভারতের পাশ্ববৰ্ত্তী অপর এক জাতিকে যখন