পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


# \에e P যোগী খাদ্যপাক প্রথার প্রবর্তনীর মূলে। পশু প্রভৃতি ইস্তর প্রাণীর প্রকৃতির ফলমুল ও আম মাংস যেমনট পায় তাহাই খায়। বিজ্ঞান চক্ষু মচুৰ্য্যই কেবল নিজচেষ্টায় আহার্য দ্রব্যের পরিপাক করিবার উপায় উদ্ভাবন করিয়া ধীশক্তির পরিচয় দিয়াছে । বিজ্ঞানের উন্নতিয় সঙ্গে সঙ্গে ক্রমে খাদ্যপাকেরও যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হইয়াছে দেখা যায়। ভারতে প্রধানতঃ দুই দিক দিয়া আহারের উন্নতি হইয়াছিল এক দেব ভোগ্য হব্য এবং দ্বিতীয় পিতৃভোগ্য কব্য । হবি দেবগণের প্রিয় ছিল বলিয়া হবিপ্রধান খাদ্য দেবভোগ্য হব্য রূপে পরিগণিত এবং আমিঘ ও ওষধি প্রধান খাদ্য পিতৃগণের প্রিয়বস্তু ছিল বলিয়া উহা পিতৃগণের কবি নাম হইতে কব্য নাম প্রাপ্ত হইয়াছে। এই হব্য ও কাব্য দুই পথ দিয়া ভারতবাসীরা আমিষ ও নিরামিষ নানাবিধ খাদ্য উদ্ভাবনে সমর্থ হইয়াছিলেন। মনুষ্যমাত্রেরই খাদ্যকে প্রধানতঃ দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়, আমিষ ও নিরামিষ। যেমন অক্ষর স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ এই দুই ভাগে বিভক্ত, সেইরূপ আহারও আমিষ ও নিরামিষ এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত । যেমন স্বরবর্ণ ব্যতীত ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণ হইতে পারে না, সেইরূপ আমিষাহারও নিরামিষের সাহায্য ব্যতীত রন্ধন হইতে পারে না । কিন্তু নিরামিষের রন্ধনে আমিষের প্রয়োজন হয় না যেমন স্বরবর্ণের সাহায্যার্থে ব্যঞ্জনবর্ণের অবিশ্যকতা নাই। সভ্যতার উঘাকালে দেবযুগে যখন খাদ্যপক বিশেষ পরিপকতা লাভ করে নাই, যখন সবেমাত্র উহার নবোন্মেষ হইয়া ছিল, তখন দেবতার প্রকৃতির পরিপক্ক ফল মূলের রসাস্বাদে ও দ্বত পানে তৃপ্পি ও পুষ্টি লাভ করিতেন। তাই ঋগ্বেদের ঋষি পৃষ্ঠাস্তস্বরূপে বলিয়াছেন