পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ه /ln(ئ ছিলেন সেইরূপ, মাংস পাক প্রণালীর ও নবপ্রচলনও ঔৎকর্ষ্য সাধন করিয়াছিলেন। তাহারা আমিষ ও নিরামিষ উভয়বিধ খাদ্যেরই শরীরধারণোপযোগী নানা গুণ দেখিয়া এই দ্বিবিধ আহারেই তৃপ্ত হইতেন। পিতৃগণের মাংস পাক প্রথার আবিষ্কারের পর আমমাংস ভোজন পৃথিবী হইতে এক প্রকার লোপ প্রাপ্ত হইয়াছে। এইরূপে দেব ও পিতৃগণ কর্তৃক ভারতের আহারে দুই বিভাগের স্বষ্টি হইয়াছে। বর্তমানকালেও হিন্দু আহারে সেই দুই বিভাগ চলিক্ষী আসিয়াছে। এক তন্ন বা ওষধি প্রধান খাদ্য ও তারেক হবিপ্রধান খাদ্য । অন্ন প্রধান খাদ্য যেমন ভাত, ডাল প্রভৃতি ; ইহার! ওষধিপতি পিতৃগণপ্রবর্হিত পিতৃখাদ্য কব্য শ্রেণীর অন্তর্ভূত। এবং লুচি ও ঘৃতপক মিষ্টান্ন প্রভৃতি হবি প্রধান খাদ্য হব্যের অন্তর্ভূত। তাই লুচি প্রভৃতি ঘৃতপক খাদ্যপাকের নাম ভিয়েন। ভিয়েন শব্দটী সংস্কৃত ‘হবন’ শব্দ হইতে উৎপন্ন হইস্বাছে। সেকালের যজ্ঞ ও ইবন আমাদের আধুনিক বিবাহাদির ধঞ্জির ভিয়েনে কেবল সামান্য পদচিহ্ল রাখিয় লয় প্রাপ্ত হইস্থাছে । আর সেকালের কবি প্রচলিত আমিষ খাদ্যের বর্তমানে ভারতে কোন চিত্ত্বই নাই । বস্তুতঃ হব্য ও কব্যের মধ্যে ভারতবাসীরা যাহা নিরামিষ তাহাই যত্বপূৰ্ব্বক রক্ষা করিয়াছে আর যাহা আমিষ তাহা ত্যাগ করিয়াছে। হবি প্রধান খাদ্য অর্থাৎ ভিয়েনের খাবাবু তাই সচরাচর নিরামিষ হইয়া থাকে এই কারণে তাহ সৰ্ব্বতোভাবে ভারতের সর্বত্র গৃহীত হইয়াছে। কিন্তু কবি অর্থাৎ পিতৃগণপ্রচলিত কব্যের মধ্যে যাহা নিরামিষ যেমন অল্প প্রভৃতি তাহাই ভারতের সর্বত্র সমাদর লাভ করি*ttॐ क्ख् िक८दJब्र थॉभिशांश्नं वमनं श्tठ छद्रौछङ झट्टेग्नांtछ् ।