পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


θίηο'ο যে সকল আমিষ খাদ্য এককালে ভারতেই উদ্ভাবিত হইয়া প্রচলিত হইয়াছিল তাহাই কালক্রমে স্বদেশ হইতে দূরীভূত হইয়। বিদেশে সমাদর লাভ করিয়াছে। কেন আমাদের দেশ হইতে আমিষাহার বিতাড়িত হইল ? ইহায় কারণ কি ? এক গ্রীষ্ম প্রধান দেশে মাংসাহার বিশেষ সহ্য হয় না বলিয়া, আরেক হিন্দু ও বৌদ্ধ ধৰ্ম্ম শাস্ত্রের “অঙ্কিংস পরমোধৰ্ম্ম" উপদেশ। কিন্তু BB BB BBB BB BBBS BBBBB BBB BB BBBBB স্বদেশে উৎপত্তি প্রচলন হইয়াছিল তাহাকে এক্ষণে কেমন করিয়া স্নেচ্ছের খাদ্য বলিয়া গণ্য করিতে পারি। নিরামিষ খাও ভালই, কিন্তু যদি আমিষ খাদা থাইতে চাহ ত প্রাচীন কালের ঋধিসেবিত সস্বাদু মুখাদ্য সমূহই আহার করা বিধেয় । আমরা এক্ষণে যে সকল কারী কোপ্ত, কাবাব প্রভৃতি আমিযাহারকে বিদেশীয় ম্লেচ্ছ খাদ্য বলিয়া ঘৃণিত চক্ষে দেখি সেই মুখাদ্য সমূহ প্রকৃত পক্ষে আমাদের স্বদেশের পিতৃ-পুরুষ প্ৰবৰ্ত্তি ত । * যেমন বৌদ্ধধৰ্ম্ম ভারতে উঠিয়া ও ভারত হইতে বিতাড়িত হইয়াছিল, খাদ্য সম্বন্ধে তাহাই হইয়াছে। যুরোপ প্রভৃতি সুসভা দেশের অধিকাংশ আমিষ খাদ্য ভারতেরই জিনিষ । শীত প্রধান দেশে মাংসাহার সহ্য হয় এবং উপকারী বলিয়া ভারতের আমিষ শ;থ্যগুলি কাবুল পারস্য প্রভৃতি দেশে এবং যুরোপেও সত্বর গৃহীত হইল। ভারতের আমিষ খাদ্যগুলি আজিও দেখিতে পাই য়ুয়োপের অধিকাংশ দেশে প্রধান খাদ্যরূপে পরিণত। অনেকে মনে করেন যে আহার বিষয়ে প্রাচ্য ও প্রতীচ্য ভূখণ্ডের মধ্যে এক বিশাল ব্যবধান আছে । এক্ষণে ভারতবাসী ছিন্দুরা প্রধাণতঃ নিরামিষাশী এবং হিমু ভিন্ন অন্তান্ত

  • ইহা পরে প্রমাণ সহকায়ে প্রদর্শিত হইবে ।