পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাগে, সে যে স্বপ্ন দেখতে আরম্ভ করে নীরোগ নিৰ্ভয় আনন্দময় জীবনের, এই মিথ্যা। আশা মিথ্যা স্বপ্নকে বাতিল করে দিয়ে রোগের বোঝা বইতে বইতে জীবনটা কাটিয়ে দেবার জন্য নিশ্চিন্ত মনে প্ৰস্তুত হতে পারে । কত মানুষ কত রোগের যাতনা সয়ে পঙ্গু হয়ে আরোগ্যের আশা ছেড়ে দিয়ে জীবন কাটাচ্ছে। সেও নিজেকে তাদেরই একজন মনে করবে । আরোগ্য লাভের জন্য আর ব্যাকুল হতে হবে না। ভাবতে ভাবতে কেশবের মনে হয়, কমলকে যে স্পেশালিষ্টকে দিয়ে দেখানো হবে, সেও যদি তার শরণ নেয় ? তার অবশ্য মাথার ব্যারাম নয় । কিন্তু যে মাথা দিয়ে মানুষ জগতে এত কাণ্ড করছে, সুক্ষ্ম থেকে বিরাট সব কিছুই যে মাথার আয়ত্তে, সেই মাথা বিগড়ে গেলে তার বিশেষ চিকিৎসা যাকে শিখতে হয়েছে তার কি আর অন্যরকম রোগ সম্পর্কে জ্ঞান নেই ? মাথার মত অঙ্গ, সে অঙ্গের চিকিৎসায় দেহযন্ত্র সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান না। থাকলে কি স্পেশালিষ্টের চলে ? তার মাথাও ঘোরে।-বিম কিম করে । সঙ্কল্পটা ক্ৰমে ক্রমে মাথার মধ্যে দানা বাধতে থাকে কেশবের । কেশব বাড়ী ফেরার জন্য প্ৰস্তুত হচ্ছে নিমাই এসে চাপা উত্তেজনার সঙ্গে জানায়, খবর জানো ? বাবুর বড় জামাই পাগল হয়ে গেছে! বড় মেয়েকে দেখলেই নাকি কামড়াতে আসে-দিদিমনি তাই পালিয়ে «ՊÇծïÇbշ (զՉիCo{ | আসলে নিমাই এসেছে সিগারেট টানতে । সে এত বোকা ছেলে নয় যে কেশব কিছুই জানে না ধরে নিয়ে তাকে কমলের পাগল ぬb"