পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


: না, এমনি জিজ্ঞেস করছি। সেরে যাবে তো ? ঃ সারবে বৈকি । 彝 কিন্তু বাড়ীর ড্রাইভারের কাছে কি আর গোপন থাকে বাড়ীর জামায়ের রোগ সম্বন্ধে স্পেশালিষ্ট ডাক্তার কি বলেছে সেই খবর। বংশগত কারণে কমল পাগল হয়েছে এটা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছে ডাক্তার দত্ত। উন্মাদ রোগের ঝোক একটু থাকতে পারে এই বংশে, তার বেশী কিছু নয়। রোগের আসল কারণ ছিল কমলেরই নিজের জীবনে এবং নিজের দেহে । সাধারণ হিসাবে লজাকার কারণ । অন্তত দেহগত কারণটা । দেহের বিকার আর জীবন যে সম্পর্কহীন নয় মানুষের । কমলের বাবা যে চিকিৎসায় সেরেছিল। সে চিকিৎসায় কুলোবে না । ডাক্তার দত্তকে দিয়েই চিকিৎসা করানো দরকার । প্ৰণব মত দিয়েছে কিন্তু কমলের মা আর কাকা বেঁকে দাড়িয়েছে । তারা বলে, এসব হল ডাক্তারের চালাকি । একরাশি টাকাই শুধু খরচ হবে, ফল পাওয়া যাবে না কিছুই। এ রোগের কি দ্বিতীয় চিকিৎসা আছে ? বংশানুক্ৰমে পরীক্ষিত সুনিশ্চিত চিকিৎসা থাকতে একজন স্পেশালিষ্ট বলছে বলেই অন্ধকারে এগিয়ে চলার কোন মানে হয় ? ডাক্তার দত্তের চিকিৎসা চললে তারা সহায়তা করবে না ! এখন মলিন যা বলে । মলিনাকে দেখলেই কমল অবশ্য উগ্র হয়ে কামড়াতে যায়, তবু সে তার বিবাহিতা স্ত্রী । কমলের টাকা পয়সা সব তারই হেফাজতে আছে। তিন বছরের ছেলেটাকে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে মলিন বলে, Sobr