পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে থেকে বলে, কোন রোগ নেই, তবুকত লোক যে আমায় শুধু টাকা দেবার জন্য আসে। আবার রোগী হলেও টাকা দিয়ে আমায় যেন কিনে নিয়েছে এমনি ভাবে ফিরিস্তি পেশ করে, আমার এই অসুখ, ওই অসুখ। দশ বশ বছরের অসুখ, কিন্তু আশা করি রাতারাতি আমি সারিয়ে দেব। এতগুলি টাকা দিলে আমি এত বড় ডাক্তার, রাতারাতি দশ বিশ বছরের পুরানো রোগ না। সারাতে পারলে আমি আছি কি জন্য ? কেশব সত্যই ভড়কে যায় । জগতে জটিল রোগ অাছে বলেই প্ৰতিদিন নিরুপায় রোগী এক কঁাড়ি টাকা। এসব স্পেশালিষ্টদের পায়ের কাছে ফেলে দেয় । রোগীকে এদের গ্রাহ না করারই কথা । অথচ তাকে রোগীর চেয়ারে বসিয়ে ডাক্তার দত্ত রোগের বিবরণ শোনার বদলে নিজের কথা বলতে আরম্ভ করেছে—ডাক্তারকে কত খাটতে হয়, রোগীরা কেমন অবুঝ, রোগ সারানো কত কঠিন কাজ ! কুড়ি বাইশ বছরের একটি মেয়ে এককাপ ঘোলাটে রঙীন কি একটা পানীয় এনে টেবিলে রেখে প্রশ্ন করে, আজও পারবে না তো ? ७डाइ डि भ२ ब्ाCछ । মেয়েটি রুষ্ট মুখে বলে, তবে আর দরকার নেই। বলে গট গট করে ভেতরে চলে যায় । ডাক্তার দত্ত হাসিমুখে কেশবের দিকে চেয়ে বলে, দেখলে তো ? রোগীও দেখব। আবার ঘরের লোকের ফরমাস না শুনলে তারাও চটবে । সবাই যেন পেয়ে বসেছে আমায়। আরও প্ৰায় আধঘণ্টা এমনি ভাবে এলোমেলো কথাবার্তা চালিয়ে আরোগ্য-৮ NA N-0