পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


: যাক গে বেশ করেছে। ব্যাটাছেলে একটু আধটু খেলে কি হয় ? আমি বুঝেছি, বিপদটা ঘটেছিল বলে তো ? আটচালাটার পিছনে কলাবাগান, ছোট একটা পুকুর আছে। তার পরেই কেশবদের বাড়ী। বাগান দিয়ে পুকুর পার ঘুরেও যাওয়া যায়। মায়া বলে, না । রাত করে ওদিক দিয়ে গিয়ে কাজ নেই । সদর দিয়ে ঘুরে যাও। দালানের একটা ঘরে রঞ্জন পড়ছিল। গোবিন্দের সে বড় ছেলে, একুশ বাইশ বছর বয়স। সে বলে, চললে নাকি মামু ? ; ঘুরে আসছি। কাণ্ড হয়েছে একটা, বলছি এসে। গোবিন্দ পূজোর ঘরের দরজায় এসে দাড়ায়। ঃ কিসের কাণ্ড কেশব ? বয়স প্ৰায় ষাট হবে গোবিন্দের। চুল অধিকাংশ পেকে গেছে। দীর্ঘ দেহ, ফস রং পরণে পাটের কাপড়।

জামা কাপড় ছেড়ে এসে বলছি । কেশবের বাড়ীতে অনেক লোক । তার বিধবা মা, তিন ভাই, দুটি বোন, মেজ ভায়ের বউ, তার দুটি বাচ্ছা ছেলেমেয়ে, একজন পিসী ७ ऊ Cछ्6व् ।

একতলা বাড়ীটা জাৰ্ণ হয়ে এলেও ছোট ছোট কুঠরি আছে অনেকগুলি । কেশব এক একখানা ঘর দখল করলেও ঘরের জন্য অসুবিধা হয় না। তবে কেশবের সেজভাই প্ৰণব এবং পিসীর ছেলে ভোলার বিয়ে হলে ঘরের টানাটানি পড়বে। পিসী পারলে রাত পোহলেই ছেলের বিয়ে দেয় । কেশবের ভয়ে কিছু করতে পারে না। কে জানে কি বিবেচনা কেশবের ব্যাটাছেলে তো রোজগার করবেই একদিন-চাকরী পেয়ে হোক ফিরিওলাগিরি NDY