পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গামছার বোঝা কঁধে নিয়ে ফিরিওলা অধর সারাদিন পথে পথে ঘুরে বাড়ী ফিরছিল। বলে, কেশববাবু মা’র একটা গামছা ফরমাস ছিল। ६ भiएकई लि७ । দামটা ? गाभ७ भा-झैं 6शÇद । এদিকে খানিক তফাতে শেষ হয়েছে বৈদ্যুতিক এলাকার সীমানা । শরতের রেডিও ক্ষীণ ভাবে শোনা যায়। গানের কথাগুলি বোঝা যায় না। কিন্তু সুর শুনে মনে পড়ে পরিচিত গানের কথা-ললনাকে অনেক বার গাইতে শুনেছে। দক্ষিণ থেকে ভেসে আসছে সাধক ভুবনেশ্বরের চড়া গলার কালী সঙ্গীতের সুর। তারও কথাগুলি ধরা যায় না। কিন্তু সুর শুনে মনে পড়ে যায় শোনা গানের জানা পদ । বাড়ী গিয়ে কি করবে ? বই পড়া গল্প করা সহ্য হবে না। ঘুম আজ রাতে আসবে কি না, কখন আসবে জানা নেই। ক্ষোভে বুকটা জ্বালা করে কেশবের । কত বড় বড় ডাক্তার কবিরাজ কলকাতা সহরে । পাড়াতেই আছে। নগেন ডাক্তার, সোমনাথ কবিরাজ, কতলোকের চিকিৎসা করছে। তার কষ্ট দূর করার সাধ্য ওদের নেই । গিয়ে বললে ঘুমের ওষুধ দেবে। বেশী মদ খেতে তার ভয় করে, ঘুমের ওষুধ খেতে তার আরও বেশী আতঙ্ক। এ ভয় না। কাটিয়ে তাকে ঘুমের ওষুধ দেবার কি মানে আছে ? এ যেন মুখ যার সেলাই করা তাকে অমৃতের পাত্র দিয়ে পান করতে বলা । ধীরে ধীরে তাদের বাড়ী ছাড়িয়ে কেশব এগিয়ে যায় । N98