পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভুবনেশ্বরের বাড়ী বলতে শুধু দু’খানা ঘর। বছর পনেরো আগে বাড়ীটা তৈরী হয়েছিল, আজ পৰ্য্যন্ত বাইরের ইটের উপর আস্তর পড়ে নি। ছাতে রেলিং নেই। ছাতে উঠবার জন্য বাইরে সরু একটা আলগা কাঠের সিড়ি বসান আছে । দুয়ার খুলে মোহিনী বলে, কেশব নাকি ? কি ভাগ্যি ! এসে এসে । পাতলা একখানি শাড়ী আলগা ভাবে গায়ে জড়ানো । এবারও কেশবের যেন চমক লাগে। কয়েক মুহূৰ্ত্ত চোখ ফেরাতে পারে না। তার মনে পড়ে অজন্তার নারীমূৰ্ত্তির কথা । আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে মোহিনী বলে, ভারি গরম পড়েছে। : डूत्रनल छांड ना ? ; শুধু ভুবনন্দার সঙ্গেই কথা কইতে আসা হয় বুঝি ? আমাকে পছন্দ হয় না ?

পছন্দ হয় বলেই তো ভয় করে । খোলা ছাতে গামছা পরে ভুবনেশ্বর বসেছিল । ঃ এসে কেশব । ধোয় ছাত, বসে পড়ে ।
গান থেমে গেল। ভুবনন্দ ?

• গান কখনো থামে রে পাগল ? বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ড জুড়ে আবিরাম গান চলেছে। ওই গান শুনতে শুনতে কখনো সখা হয়, নিজে নিজের গান একটু শুনি। ঃ 'ও গান আমরা শুনতে পাইনা কেন ? ঃ কান পাতিলেই শুনতে পাবে। কানের বাইরের দুয়ারটা বন্ধ করে আগে তালা দেবে। হট্টগোলের আওয়াজটা আগে বন্ধ করতে হবে vত ? নইলে অত আওয়াজে গান তলিয়ে যাবে না ?

ভোগীর পক্ষে কি তা সম্ভব ? ; খুব সম্ভব। ভোগ করার কায়দা জানলেই হল। আমিও তো ভোগ

VO6