পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ধীর পদেই লালন গাড়ীতে ওঠে, শান্ত ভাবেই বলে, বাড়ী চলুন। অনিমেষ বাইরের ঘরেই ছিল । বাড়ীতে পা দিয়েই ললনা বলে, বাবা, এখুনি বঙ্কিমবাবুকে ফোন করে দাও তে। আর যেন কখনো আমাদের বাড়ীতে না আসে ।

কেন ?

ঃ ছল করে খালি বাড়ীতে ডেকে নিয়ে "আমায় অপমান করেছে । মুখে অপমান করলে তোমায় জানতাম না। এমন অসভ্য মানুষ হয় ? চলে আসব, কিছুতে হাত ছাড়বে না, আমাকে শেষে হাতে कiभgएछ लिएड श्ल। একটু থেমে খানিকটা পুসীর সুরে ললনা যোগ দেয়, একেবারে রক্ত বার করে নিয়েছি । অনিমেষ নীরবে ফোনের কাছে গিয়ে রিসিভারটা তুলে নেয়। চার সেদিন বাড়ী ফিরতে প্ৰণব খুব রাগের সঙ্গে অনুযোগ দিয়ে বলে, তুমি কি দাদা এমনি উদাসীন হয়ে থাকবে ? সংসারের দিকে একটু ফিরেও তাকাবে না ? ঝনঝাট পোয়াতে হবে। আমাকেই ? বিয়ে করে আমিই ঝকমারি করেছি নাকি ? এমনিতে প্ৰণব খুব শান্ত এবং নিরীহ। ছোটখাট রোগা মানুষটার চেহারায় একটু রুগ্ন রুগ্ন ভাব । পোষ্টাপিসে চাকরী করে। আচার নিয়ম যা শিথিল হবার হয়ে গেছে । কিন্তু সে মাছ মাংস খায় না । নিয়মিতভাবে সন্ধ্যা আহিক করে । কেশব বলে, হল কি ? আমাকে কি করতে বলছ ? আমি ভোরে বেরিয়ে এত রাতে বাড়ী ফিরি, সংসারের দিকে তাকাবি কখন ? আসলে আমার তো ওখানেই থাকার কথা । NUO