পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঃ তাই বলে কোন দায়িত্ব নেবে না। সংসারের ? ঃ রাত্রে ‘ওরা যদি আমায় ছুটি না দিতেন ? তোমরা ধরে নাও না। কেন আমি বিদেশে চাকরী করতে গেছি! লোকে কি চাকরী ফেলে সংসারের ঝনঝাট পোয়াতে আসে ?

আসে না ? বিয়ে পৈতে রোগ ব্যারামে দরকার হলেও চাকরী নিয়ে পরে থাকে ?

কেশব শান্তভাবে বলে, সে হল আলাদা কথা । আমি ভাবলাম তুমি সংসারের খুঁটিনাটি দরকারের কথা বলছে ! প্ৰণব গোমড়া মুখে বলে, ছোটখাট ব্যাপারে তুমি তাকাবে না। জানি। নিজের বোনের বিয়ের ব্যাপারে তো একটু নজর দিতে হয়। না সেটাও খাঁটিনাটি ব্যাপার তোমার কাছে ?

মিনুর বিয়ে ? আমায় তো কিছুই বলিস নি তোরা । আজ আচমকা ঝগড়া সুরু করলি ।

প্ৰণব একলা কোমর বঁাধে নি । দলবল নিয়ে প্ৰস্তুত হয়েই ছিল । বিধবা বোন সুমতি বলে, কোন বিষয়ে গা করি না, তোমায় বলতেই যে ভয় করে দাদা । গা বলে, কি ধুমসো হয়েছে মেয়েটা, তোর চোখেও কি পড়ে না ? তোর বাপ বেঁচে থাকলে রাতে ঘুম হত না, মুখে অন্ন রুচিত না। পিসীর মেয়ে দুৰ্গা বলে, সত্যি, মামা বেঁচে নেই, তুমিই তো কর্তা সংসারের, তোমারি দায়িত্ব সব। একটা কেলেঙ্কারি হলে লোকে তোমাকেই ছিছি করবে, বলবে অমুকের বোন এই করেছে। অসহায়ের মতই চারিদিকে তাকাচ্ছিল কেশব । সে ভাবটা তার কেটে যায়। সে বুঝতে পারে গুরুতর কিছু একটা ঘটেছে, নইলে সবাই মিলে তাকে এভাবে আক্ৰমণ কয়তো না । ছেলেমেয়েগুলি পৰ্য্যন্ত ভিড় 仓粉