পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিচয়ের নতুন ছড়ানো জগৎ তৈরী হয়ে গেছে। বড়লোক মেয়েপুরুষ কত মানুষ আসে যায়, এ বাড়ীর মেয়েরাও পাণ্টা দেখা সাক্ষাতের পাট বজায় রাখতে সর্বদাই বেরোয় । সেই প্ৰয়োজনে একেবারে বদল হয়ে গেছে তাদের অভ্যস্ত ঘরকন্নার 外可11 প্রণব বলে, ওদের কথা আলাদা। ওদের অবস্থার সঙ্গে আমাদের তুলনা হয় যে বকুলের কথা বলছিস ? সুমতি বলে, যাদের যেমন চালচলন। বকুল যা করে মানায়, বাড়ীর সবার চালচলনের সঙ্গে খাপ খায়। তুই হ’লি গরীব গোরস্ত ঘরের (C-

বাইরে বেরোতে হলে বড়লোক হতে হয় নাকি ? গরীবের মেয়ের বেরোয় না ?

মিনুর মন্তব্যে সুমতি চটে বলে, সে তারা বেরোয় যাদের অভ্যাস আছে, সেরকম শিক্ষা আছে। তুই তো বেরিয়েছিলি বজাতি করতে। মিনু সোজাসুজি কেশবের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, ঘোষেদের জমিতে ওই যে হোগলার চালা তুলেছিল, ঘর ভেঙ্গে ওদের তাড়িয়ে দিয়েছে। সকাল থেকে আমগাছের তলায় বসেছিল। বৌটির সঙ্গে আমার ভাব হয়েছে। দুপুর বেলা, ওরা চলে গেল, কোথায় যায় দেখতে সঙ্গে গিয়েছিলাম । ফিসফিসানি বজায় রেখেও গলা চড়িয়ে আদরিণী বলে, মিছে কথা বলছ কেন ঠাকুরবি ? ওবাড়ীর শচীনের সঙ্গে তুমি ফিরেছ, সবাই দেখেছে । মিনু কিছুমাত্র দমে না গিয়ে বলে, ফিরেছিই তো, সবাই দেখেছেই তো। রিক্সা করে আসছিল, আমায় হঁটিতে দেখে রিক্সায় তুলে Vo