পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ললনা মাঠে নেমে যায়। মাঠটুিকু পেরিয়ে ললনা গাছপালা ঘরবাড়ীর আড়ালে চলে গেছে, কানুর গাড়ীটা কাছে এসে থামে। বেলা। সলজ ভাবে হেসে বলে, আপনি যে এখানে কেশবদা ? : বাবুর মেয়ে বেড়াতে এসেছেন। কানু বলে, আমিও আরেক বাবুর মেয়েকে বেড়াতে এনেছি। :: গাড়ী কারি ? : কারখানার গাড়ী । মেরামতের পর টেষ্ট করতে বেরিয়েছি একটা ভাওত দিয়েছি, দশ বার মাইল খুব স্পীডে চালিয়ে দেখতে হবে। কেশব সংশয়ের সঙ্গে জিজ্ঞাসা করে, বাড়ী থেকে বেলাকে আসতে ब्लि ? কানু হাসে । —তাই কি দেয় ? আগে বলা ছিল, রাস্তায় গাড়ী নিয়ে অপেক্ষা করব । বেলা অনুযোগ দিয়ে বলে, একটু গাড়ী চড়াবার জন্যে আধ মাইল হঁটিয়েছে-ফিরবার সময় আবার হঁটিতে হবে । কানু বলে, আমার দোষ নাকি ? তোমারি তো ভয়, পাড়ার কাছে হলে চেনা লোক দেখতে পাবে । আমি তো বলছি দেখতে পাক না চেনা লোক - ভালই হবে । বাড়ীতে নয় বাকবাকি করবেগায়ে তো ফোস্কা পড়বে না ? টের তো পাবে যে কানু মিস্ত্রি ছাড়া মেয়ের গতি নেই । মিনুর বাড়টা অস্বাভাবিক, বেলা খুব রোগা । মুখের ছাচ, তেমন সুশ্রী নয়, কিন্তু দেখেই টের পাওয়া যায় খুব চালাকচাতুর মেয়ে। , , বেলাও বাইরে বেড়াতে বেরিয়েছে বাড়ীতে কিছু না জানিয়ে, সেদিন মিনুও বেরিয়েছিল। কত তফাত দু’জনের অকাজের রকমে ! VS