পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রণব বলে, এ চলতে পারে না। আমরা সবাই যখন চাইছি, রঞ্জনের সঙ্গে মিনুর বিয়ে হবে । তুমি সেদিন বাড়ী বেচে দেবার ভয় দেখাচ্ছিলে, দিও বাড়ী বেচে । খরচপত্র বন্ধ করে দিও। আমি যে ভাবে পারি চালাব । মিনু একটু তফাতে দাড়িয়ে শুনছিল। ছোটদার দৃঢ়তা দেথে তার মুখখানা যেন शूCश ७gछै কেশব টের পায়, এ বিয়ে ঠেকাবার সাধ্য তার হবে না । বিশেষত গোবিন্দ যখন বিশেষভাবে মিনুকেই ছেলের বেী করতে शष्ट्छूक । ভিতরে একটা প্ৰচণ্ড বিক্ষেপ অনুভব করে কেশব । ক’দিন মায়ার জন্য ছিল আত্মাগ্লানি, আজ তার সঙ্গে মিশেছে ক্ষোভ । কাজে যেতে হবে । তৈরী হয়ে সে পথে নেমে যায়। বিপিনদের বাড়ীর সামনে একটি মোটর দাড়িয়েছিল । সিনেমা তারকা হবার মত রূপসী একটি মেয়ে বাড়ীর সামনের রোয়াকে দাড়িয়ে কথা বলছিল বকুলের সঙ্গে । দুজনেরি ঝকঝকে তকতকে আধুনিক সাজ। সেইখানে সামনা সামনি দেখা হয় মোহিনীর সঙ্গে। শরতের বাগানের পুকুরে স্নান করে ভিজে কাপড়ে ফিরছিল। আশ্চৰ্য্য এই যে, আজ তাকে এভাবে রাস্তায় দেখে কেশবের চমক লাগে না । আপশেষ জাগে । ঃ কেশব বাবু আজ এত দেরী করে বেরোচ্ছেন ! মোহিনী দাড়ায় সেই অবস্থায়, সভ্য জগতের সুসজিতা মেয়ে দু'টির কয়েক হাত তফাতে। বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ বোধ করেন। বলে, তোমার তো গাড়ী আছে, একটু বেড়িয়ে আনো না । ভাল লাগে না। আর । একজন খালি নেয়ে বলবে। আমি আরোগ্য-৩ brン