পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লালনার শরীর ভাল নেই শুনেই তার প্রকাশ্য জীবনের শতাধিক ভাগিদাররা কয়েকটা দিনের জন্য তাকে রেহাই দেয় । অথচ বিতৃষ্ণা আর অশ্রদ্ধা নিয়েও ড্রাইভার হিসাবে যতটা সম্ভব এই জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ট হয়ে মশগুল হয়ে থাকে। মুখ ফুটে কিছু না বলেও লালনার সঙ্গে তার একটা বোঝাপাড়া হয়ে গেছে যে, যত বই আর পত্রিকা ললনা পড়ে সেগুলি যেন তার না পড়ার সময়টুকুর জন্য কেশবকে ধারা দেওয়া হয় । এজন্য ললনা যে তাকে ছোটলোক অশিক্ষিত ড্রাইভার ভাবে না, লেখাপড়া জানা খানিকটা ভদ্র মানুষ মনে করে এটুকুর জন্যই সে গৰ্ব্ব বোধ করে । উৎসব-আসর সভাসমিতির যত কাছে ঘোষা সম্ভব ঘোষে গিয়ে সে যেটুকু পারে গান শোনে, আলাপ আলোচনা তর্ক বিতর্ক বক্তৃতা শোনে, গাড়ী চালাতে চালাতে অৰ্দ্ধেক মন দিয়ে শোনে আর বুঝবার চেষ্টা করে এদের কথা বাৰ্ত্ত । এইভাবে সে নিজেকে অংশীদার করতে চায়। এদেরও জীবনের । সে তবে বাদ দিল কোনটা ? আপন হল কোন স্তরের মানুষগুলির ? এর সোজা মানে কি এই নয় যে সে সুবিধাবাদী এবং সেজন্য সব স্তরের সমস্ত রকম জীবনের ভাগ চেয়ে তার গুলিয়ে গেল। সে নিজে কোন রকম জীবন চায় । ললন বলে, আপনাকে তো বেশ তাজা দেখাচ্ছে আজ। বৌয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এসেছেন বুঝি ? আজ পৰ্য্যন্ত কখনো ললনা এভাবে এই সুরে কথা বলে নি । একদল রুক্ষ কেশ ছিন্নবেশ চাষী মা বেীকে খেটে কিছু রোজ গারের চেষ্টার শেষে দল বেঁধে গায়ে द्रिहड्र দেখে সে অনেক ইতস্তত しアやク