পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ক’রে তাদের পিছু ধাওয়া করেছিল। ঘণ্টা দেড়েক গ্রামে কাটিয়েছিল । সেইজন্যই কি এই প্ৰসন্নতা ? সে বিয়ে করেনি জেনেও এই সুমিষ্ট রসিকতা ? কেশবও হাল্কা সুরে বলে, আমি করে সঙ্গে ঝগড়া করিনা । গাড়ীটা আমার সঙ্গে ঝগড়া সুরু করেছে। ললনা ভড়কে গিয়ে বলে, কি হয়েছে গাড়ীর ? ; গাড়ীটা পুরোনো হয়ে গেছে। সেদিনের ধাক্কাটা সামলাতে পারছে না। বেশীদিন চলবে না। আর । বাবুকে বলে একটা নতুন গাড়ী। কিনুন । ললন একটু হাসে। গাড়ীটা নতুন হলে বাবা বিক্ৰী করে দিত। আমরা খুব আরামে আছি ভাবেন, না ? খাই দাই গায়ে ফু দিয়ে ঘুরে বেড়াই, আকাশ ফুড়ে টাকা আসে, ভাবনা কি ! আমাদেরও সেদিন আর নেই, কাহিল অবস্থা । গান বন্ধ করে, নানা মত নানা স্বার্থের নানা লোকের সঙ্গে ভদ্র ও মাজ্জিত ভাবে সমঝে চলার বিষম প্রক্রিয়াটা বাতিল করে, প্ৰতিদিন উদার আকাশ খোলা মাঠঘাটের সঙ্গে আত্মীয়তা করতে গিয়ে ভাস্তা কুঁড়ের আধা ন্যাংটাে খিদেয় কাতর নোংরা ক্ষুব্ধ মানুষগুলির সঙ্গে ভাসা ভাসা পরিচয় করে চেহারা যেন ফিরে গেছে ললনার । এবারের বিছানা নেবার নিদিষ্ট সময় পার হয়ে গেছে । তাকে হঁপাতে হয় নি। কতটা ব্যথা ভোগ করেছে সে-ই জানে কিন্তু বিছানা उiएक निड श्शनि । ললনা আবার বলে, বেশ একটু ঝাঝের সঙ্গে বলে, গরীবের দেশ কিনা, বেশীর ভাগ লোক খেতে পায় না, পরতে পায় না রোগে b "