পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিকিৎসার জন্য কমলের কলকাতা আসার দিন ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছিল । অনিমেষের মা-ও এলাহাবাদে নাতনীর কাছে আটকে গিয়েছে। কমলের অসুখটা কি স্পষ্ট করে এখানে কেউ জানায় নি, শুধু লেখা হয়েছে যে স্নায়বিক রোগ। কয়েকদিন পরে বিমান ডাকে কমলের ভাই নিৰ্ম্মলের চিঠি আসে। কেবল কমল আর মলিন নয়, তারা সকলেই কলকাতা আসছে । অবিলম্বে যেমন হোক একটি বাড়ী ভাড়া করে যেন টেলিগ্রাম করে তাদের জানানো হয় । বাড়ী দরকার এইজন্য যে কমলের চিকিৎসায় বেশ কিছুদিন अभश व्लीgद । অনেক চেষ্টায় একটা ফ্লাটি যোগাড় হয়। এলাহাবাদে টেলিগ্রাম যায়। দিন চারেক পরে অনিমেষ তুমার ললনাকে কেশব ষ্টেসানে নিয়ে যায়। মাস ছয়েক আগে কমল। আর মলিনা কলকাতায় বেড়াতে এসেছিল, কেশব তখন কমলকে দেখেছিল । সুশ্ৰী চেহারা, খুব হাসিখুসি আমুদে মানুষ। আজি দু’পাশ থেকে দু’জন লোক সেই কমলকে শক্ত করে ধরে হঁটিয়ে আনছে দেখে কেশব পলকহীন চোখে চেয়ে থাকে। কমল কাছে আসবার আগেই সে ব্যাপার বুঝতে পারে। মানুষ পাগল হলে তাকে দেখলেই সেটা টের পাওয়া যায়। কমলের মাথাও কামনে । অন্য কাউকে কেশব চেনে না । বছর তিরিশেক বয়সের যে যুবকটি কমলকে ধরে আনছে, দেখে মনে হয়। সে কমলের ভাই নিৰ্ম্মল । বিধবা মহিলাটি খুব সম্ভব কমলের মা। পরে কেশব জানতে পারে প্ৰৌঢ় বয়সী পুরুষটি কমলের কাক, N8