পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


---" 8이 이 আর্য্যদর্শন । মাঘ ১২৮২ । কোথায় থাকিব।” “ঐটাই চিন্তাস্থল। | "সময় পেয়ে, ফাকি দিয়ে বিরে করে | ‘তবু একবার বল।” ফেলিলে ॥ -- কুমারী কিঞ্চিৎ কৃত্রিম কোপ প্রকাশ করিয়া বলিলেন “আগে রাজা হও তবে মহিষী হইব ।” যুব তরুণীর হস্ত ধরিয়া সানন্দ বচনে কহি লেন “মেহের জান ! আমি শপথ করিতেছি তোমারই জন্য বন ছাড়িলাম, সংসারে প্রবেশ করিলাম, জীবনের প্রতি আবার আস্থা জন্মিল এবং ঈশ্বর করেনত আবার গ্রামে গিয়া তোমাকে লইয়াবাস করিব।” মেহের জানও কথায় না প্রকাশ করুন, অন্তরে অতীব আনন্দিত হইয়া ছেন। শরীর লোমাঞ্চিত, বদনে বিন্দু বিন্দু ঘৰ্ম্ম। সহসা কছিলেন “নামাইয়া দাও” “বিনা, তুমি প্রত্যহ পলাও আজ জন্ম করে রাখিব।' "দাদীকে বলে দিব।” “দিলেইবা, তুমিত আমার স্কুল হীন ।” “যখন তেমনি হবে তখনত ?” কুমারী নামিবার চেষ্টা করিতে লাগিলেন, অগত্য যুব, সাহায্য করিয়া নামাইয়া দিলেন । - তরুণী ক্ষিপ্ৰহস্ত—কাষ্টের বোঝা মস্তকে লইয়া ক্রতপদে পলায়ন করিল, এবং বলিতে বলিতে গেল, i. “মেহের আলি, চতুরালী, সব আমি বুঝেছি * It “হাবামেয়ে, একলাপেয়ে, সকলইত - কাড়িলে। “রাজরাণী, যদি আমি, হতেওনা পেয়েছি। . . স্বদেশ ছাড়িলেন, এমত নহে। একেবারে হইলেন।" মেহেরের বয়ঃক্রম তৎকালে বিপদের মূল আসগর আলি মোক্তারের প্রাণনাশ করেন, তাহার কাছে আইন আদালত । নরহত্যা করা হইবেক না । মেহের ঐ জন্যই আত্মহত্যাও করিতে পারিলেন কুটীর প্রস্তুত করিয়া মৃত্যু অপেক্ষা করিয়া রহিলেন। নর জাতির প্রতি, সংসারের আস্থা ছিল না। পৃথিবীতে যে কেহ আছে যাহাকে তিনি চাহেন, কি কোন বিশ্বাস ছিল না। এবং নিজ পরিচয় দেন সহসা মেহের श्रलिच्न भूली जश्क्ष को शब्ब१ श्झ। পূৰ্ব্বসম্বন্ধীয়ের প্রতি মহানুভূতি অনুভব करद्रन । “दनं छद्ध” uहे बांद्र शांभा আদালত নাই, নিজ বাহুবলই তাহার । তৎক্ষণাৎ পিত্রাদেশ স্মরণ } হইল, যত কেন অত্যাচার কেহ করুকন { বস্তু আছে যাহা প্রার্থনীয়, মেহেরের এমন । মৌলডির পুত্র মেহের , আলি পিতৃ-"| আদেশানুযায়ী আপন পিতার মৃত্যুর পর নর জাতির প্রতি বিরক্ত | अडेनिश वर्ष माज ; किरु थै नमछहे विणः o ক্ষণ বুদ্ধিমান ছিলেন। সহসা পিতৃ-মাতৃ । হীন হইয় একবার ভাবিলেন তাবৎ | ন। অবশেষে অরণ্য মধ্যে একটী । প্রতি, জীবনের প্রতি, তাহার বিন্দুমাত্র | যে দিন মেহেরন্নিসা অতিথি হয়েন । জন্তু সহবাস আকাজ করিল। ঝৰঝবা |