পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/১২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ, ১৩২০ ৷৷ Vers-by SeS). পিপাসিত হৃদয় জুড়াইতে পাইবে না ; কিন্তু তৃষিত নয়ন ত জুড়াইতে পারে। এ কি প্রলোভন ! বিরাজা কাছে থাকিলে সে তাহার পরামর্শ লাইত-তাহার উপদেশ-মত কায করিত। আজ সে একাকিনী—অস্থিরচিত্তা—কিংকৰ্ত্তব্যবিমুঢ়া। হায়! রমণীর জীবনে কি বিষম পরীক্ষার সময় সমাগত ! সরোজা সারা রাত্ৰি ভাবিল। কিছুই স্থির করিতে পারিল না ; বিনিদ্র রজনীর বিশুষ্ক মলিনতা মুখে মাখিয়া সে প্ৰভাতে শয্যা ত্যাগ করিল। তাহার পর কল্যাণী আসিয়া যখন বলিল, “দিদি, চল । আমি সব কায ফেলিয়া রাখিয়া আসিয়াছি।”-তখন সে আর কিছুই ভাবিতে পারিল না। স্বামিসম্প্রদর্শনের আশায় সে চিন্তাশক্তিহীনার মত তাহার সঙ্গে গেল। সে নীরজাকে বলিয়া গেল। নীরজা ভগিনীর কথা শুনিয়া কাষ্ঠপুত্তলিকার মত দাড়াইয়া রহিল । সরোজা স্বামিসন্দর্শনে গেল। সরোজা যখন যতীশচন্দ্রের বাসায় আসিল, যতীশ তখন বাসায় নাই । গ্রীষ্মের কয় মাস প্ৰভাতেই আফিস হয় ; যতীশ আফিসে গিয়াছিল। সরোজার কাছে ছেলেকে দিয়া কল্যাণী সংসারের কায করিতে লাগিল ; আর এত দিনের সব কথা বলিতে লাগিল। যেন সরোজার নিকট তাহার গোপন করিবার কিছুই নাই তাহার সব কথা জানিবার সম্পূর্ণ অধিকার সরোজার আছে। পিতামহীর মৃত্যু - যতীশের অর্থাভাব- তাহার অলঙ্কার ও সম্পত্তি বিক্রয়-বিদেশে চাকরী-প্ৰাপ্তি কল্যাণী সব কথাই সরোজাকে । বলিল। শুনিতে শুনিতে সরোজারও মনে হইতে লাগিল, যেন সে সব কথা জানিতেই তাহার অধিকার। যতীশের অর্থাভাব ও কল্যাণীর স্বাৰ্থ ত্যাগের কথা শুনিয়া সে যেন আত্মবিশ্বত হইয়া বলিল, “আমাকে জানাইলে না কেন ?” কল্যাণী বলিল, “আমি লিখিতে চাহিয়াছিলাম ; উনি বারণ করিয়াছিলেন।” শুনিয়া সরোজার মনে অভিমানের উদয় হইল। হায় BESS DBBD BDD BB DDDBDB DB BBDYiDBDBD BBD DD বিস্মৃতির যবনিকা ফেলিয়া দেয়, কালের দীর্ঘতা দূর করিয়া দেয়, স্বার্থের নিগড় দূরে নিক্ষেপ করে, সংসার স্বৰ্গে পরিণত করে ! তোমার অসাধ্য কাৰ্য্য নাই- তোমার তুলনা দিবার কিছুই নাই--তোমার মত শক্তি কাহারও নাই। তুমি বিশ্বজয়ী-আর তদপেক্ষাও অজেয় মানব-হৃদয়ও তুমি অবহেলায় জয় করিতে পার। সর্বত্র তোমার গতি-সর্বত্র তোমার অপ্ৰতিহত প্ৰভাব। কল্যাণী রন্ধন শেষ করিল। আবার দুই জন আসিয়া বিরলকক্ষ গৃহের