পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ, ১৩২০ ৷৷ দ্বিজেন্দ্ৰলাল রায় । . . ᏱᎩ Ꮝ ভাষা অগ্নিদাহের জালা।” দ্বিজেন্দ্ৰলাল এই পুস্তকে যে মত ব্যক্ত করিয়াছিলেন, তাহার বিচার নিম্প্রয়োজন । তবে এই রচনার ভাষায় অসংযমের চিহ্ন অত্যন্ত অধিক ৷ প্ৰায়শ্চিত্ত করিয়া হিন্দু সমাজে পুনঃপ্রবেশের কথায় তিনি বলিয়াছিলেন, “হা, প্ৰায়শ্চিত্ত করিব, কিন্তু বলুন, কোন পাপের ? আমরা বানর ছাড়িয়া দেবতার সহিত মিশিয়াছি বলিয়া ? * * * বরং আমরা আপনাদের সমাজে যে ছিলাম, ইহার জন্য প্ৰায়শ্চিত্ত করিতে বলেন, রাজি আছি।”-আবার-“হিন্দুকে আজ জাতি বলিলে আমার * * শরীরে বেদন হয়, গায়ে জর আসে ;-এক কথায় আপনাকে শালা বলিতে ইচ্ছা করে।” বিচলিত হইলে দ্বিজেন্দ্রলালের ভাষা যে তীব্ৰ হইয়া উঠিত, তাহা ‘মন্দ্রের ভূমিকাতেও দেখা যায়। ‘একঘরোয় দ্বিজেন্দ্রলালের পরিহাসিক্ষমতার ASDOOBtSgDBBD BDBSBE KB KSDD DBDS S BDBB KDYDDS বিদ্ধপরচনায় তিনি বঙ্গসাহিত্যে যুগাপ্তর আনিয়াছিলেন। সে বিষয়ে তাহার ক্ষমতার পরিচয় “একঘরে’য় পাওয়া যায়। তবে ‘একঘরে’য় যাহার অন্ধুর-পরবত্তী রচনায় তাহ বিহগবিরাবিতশাখ-ঘনচিক্কিণশ্যামপল্লবসুশোভিত-অলিকুলসস্কুলকুসুমশোভাসুন্দর বৃক্ষ । ‘আৰ্য্যগাথা' প্ৰথম ভাগ প্ৰকাশিত হইবার দশ বৎসর পরে ‘আৰ্য্যগাথা।” দ্বিতীয় ভাগ প্ৰকাশিত হয় । দ্বিজেন্দ্রলাল লিখিয়াছিলেন, “দশ বৎসৱে আমার জীবনে যুগান্তর হইয়াছে * 8; আজ আমি আর সেই পাঠাধ্যায়ী, অনুঢ় জগতের দুরন্থ পরিদর্শক বিস্মিত বালক নাই * * * মলয়ানিলম্পূক্ত প্ৰেমোদ্ভাসিত আমার হৃদয়কুঞ্জে তাই এই কৃতজ্ঞ আস্ফুট কুহুধ্বনি।” এই পুস্তকখানি “শিশির-স্নিগ্ধ মেদুরা, কিশলয়পেলাব বামা অপরাজিতানম্র, নবনীলনীরদ শ্যামা ॥ “বঙ্গগরিমা” বঙ্গাঙ্গন “দেবী গৃহলক্ষ্মীর" করে উপহার। পুস্তকের অৰ্দ্ধাংশ প্ৰসিদ্ধ প্ৰসিদ্ধ বিদেশীয় গীতের অনুবাদে ও অৰ্দ্ধাংশ মৌলিক রচনায় পূর্ণ। ইহার কয়টি গান বড় মধুর “আমি প্ৰভাতের ফুলে, সাঝের মেঘোতে, হেরি তোর রূপরাশি ; আমি চাদের অ্যালোকে, डांद्र झांजिt७ नितथेि 6७मात হাসি "