পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । ৪র্থ বর্ষ-৩য় সংখ্যা 1, যায়। “সৰ্ব্বং পরশং দুঃখং' আর আত্মবিশই যে সুখ এ ভাব ভারতবাসীর মাজাগতি । এজন্য বাহিরের জিনিষের প্রতি মন যাতে বিশেষ আকৃষ্ট ও আসক্ত না হয়, হিন্দুসমাজ সর্বদাই এই চেষ্টাই ক’রে এসেছেন। ধৰ্ম্মই এ সভ্যতার মূলে। এখানে ইউরোপের প্রতিযোগিতা দৃষ্ট হয় না,-সহানুভূতি, প্ৰেম, স্বাৰ্থত্যাগ ও একাগ্ৰবৰ্ত্তিতাই এদেশের প্রথা। ব্যবসা বাণিজ্যেও তাই। এজন্য অর্থের প্রতি এত অনাদর ব’লেই জড়বিজ্ঞানের উন্নতি হয় নাই এবং রেলগাড়ী ও টেলিগ্ৰাফ আবিষ্কারের প্রয়োজন বোধ হয় নাই।’ সরকার মহাশয় প্ৰাচী ও প্রতীচীর যে পার্থক্য নির্দিষ্ট করিয়াছেন, তাহাতে কোনও চিন্তাশীল হিন্দুই আপত্তি করিতে পারেন না। প্ৰতীচী হইতে ভাবসাগরের যে তরঙ্গ রাশি প্রাচীর,-বিশেষতঃ ভারতের, বেলাভূমি অতিক্ৰম করিয়া হিমগিরির পাদমূলে অভিঘাত করিতেছে-তাহাদের প্লাবনে ভারতীয় ভােব যে বিশেষভাবে বিপৰ্যন্ত হইয়া যাইতেছে, তাহা অস্বীকার করিবার কোন উপায়ই নাই। পাশ্চাত্য ভাবের এই প্লাবন রুদ্ধ BDBBS SBDBBD BBDD DBDDS DDDBDB DS DDBB DDBDBBD DBK আমাদের কৌলিক বিশেষত্বের বনিয়াদ পৰ্য্যন্ত ভাসিয়া না যায়,-বৰ্ণাশ্রমী হিন্দুদিগের এখন তাহার প্রতি তীব্র দৃষ্টি রাখা নিতান্ত আবশ্যক। হিন্দু জাতির ধৰ্ম্মভাব কখনই লুপ্ত হইবে না, তবে যাহাতে উহা বিপৰ্য্যন্ত বা বিকৃত না হয়, তাহার ব্যবস্থা একান্তই বাঞ্ছনীয়। ইহাই হিন্দুর কথা । কিসে সেই ব্যবস্থা হইতে পারে, হিন্দু সমাজের তাহাই বিশেষ ভাবে আলোচ্য হইয়া পড়িয়াছে। সেই ব্যবস্থা করিতে হইলে আমাদিগের বালকবালিকাদিগকে আমাদেরই ধাতুর অনুকুল ভাবে শিক্ষা দেওয়া উচিত। যে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ধাতুবিগড়াইয়া দেয়, সে শিক্ষা কুশিক্ষা,-সুতরাং ত্যাহা সৰ্বপ্রযত্নে পরিত্যাজ্য। তাই বিনয় বাবু জাতীয় শিক্ষা প্ৰবৰ্ত্তনের ও জাতীয় বিদ্যালয় পত্তনের অনুকুলে প্ৰায় পঞ্চাশ পৃষ্ঠাব্যাপী এক সুচিন্তিত সন্দর্ভ লিখিয়াছেন। ইহাতে বিনয় বাবুর আন্তরিকতা বেশ পরিষ্কট হইয়াছে। ধৰ্ম্মই আমাদের সমাজের মূল ভিত্তি, সুতরাং ধৰ্ম্ম-বিশ্বাস যাহাতে ক্ষুধ না হইয়া বরং অত্যন্ত দৃঢ় হয়, এই ইচ্ছা গ্ৰন্থকার তাহার গ্রন্থের বহু স্থানে ব্যক্ত করিয়াছেন। তিনি লিখিয়াছেন ;-“অর্থের প্রতি লালসা কমিয়ে স্বার্থ ত্যাগের পথ যেমন আবিষ্কার করে দিতে হবে-তেমনই চারি বর্ণের ভিতর সামাজিক কাজ কৰ্ম্মে যে অর্থপৈশাচিকতার ভাব ঢুকেছে তাও নিবারণ করতে হবে। আবার