পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


। वायत्र, २०२०। মিলন । ৩১৭ তাতের অবিরল খাট খাট, শব্দের মধ্য হইতে যখন প্রথম কাপড়খানি । নামিয়া আপিল, তখন শচীশের হৃদয় আনন্দোচ্ছাসিত হইয়া উঠিল। সে । এই প্রথম বস্ত্ৰখণ্ড মাস্তকে ধারণ করিল। জননীর পুণ্য আশীৰ্ব্বাদ যেন তাহার আনত শিরে বধিত হইয়াছে, এমনই একটি কল্পনার গৌরব ও তৃপ্তি তাহাকে নিবিড় ভাবে বেষ্টন করিয়া ধরিল । পিতা অফিস-ঘরে হিসাব পরীক্ষা করিতেছিলেন, ‘শচীশ সেই বস্ত্ৰখণ্ড মস্তকে ধারণ করিয়াই তথায় উপস্থিত হইল, পুলক-কম্পিত-কণ্ঠে \stfrsa, “বাবা।”-গৌরীশঙ্কর বাবু হিসাবের খাতা হইতে চক্ষু তুলিয়া পুত্রের দিকে চাহিলেন । তিন মাসব্যাপী অক্লান্ত পরিশ্রমের সার্থকতার প্রথম ফল, “আজি তিনি পুত্রের মস্তকে দেখিয়া সুখী হইলেন। তিনি দেশকে এক বিরাট পালিনী মাতৃশিক্তিরূপেই দেখিয়াছেন। মাতার সেই জগদ্ধাত্রী-মূৰ্ত্তি তাহাকে মুগ্ধ করিত-আত্মহারা করিত। -

, )

9ड8कक । যতীশ তাহার আফি-ঘরের বারাণ্ডায় অন্যমনস্ক ভাবে পায়চারি করিতেছিল। তরুণ সুৰ্য্যের স্বৰ্ণা শু কিরণরেখা পল্লবরাজির উপর পতিত হইয়াছে,-পল্লবগুলি শিশির-সিক্ত ; সূৰ্য্য-কিরণ-সম্পাতে উজ্জল, শোভাময় হইয়া উঠিয়াছে । যতীশ ভাবিতেছিল। গত রজনীতে নিদ্রিতাবস্থায় সে যে স্বপ্নটি দেখিয়াছিল, সেই স্বপ্নের স্মৃতি তাহার হৃদয়ের মধ্যে কেমন একটা অনানুভূতপূর্ব বেদনার সৃষ্টি করিয়া তুলিতেছিল। স্বপ্নটাকে সে যতই ভুলিতে চাহিতেছিল,-ততই বেদনা বাড়িয়া যাইতেছিল। বহুবৰ্য পরে সে তাহার জননীকে স্বপ্নে দেখিয়াছে। সেই স্নেহে, মমতায়, করুণায় উদ্ধৃসিত মূৰ্ত্তিখানি! দৃষ্টিতে মেহামৃতধারা বৰ্ষিত হইতেছে, --আর সর্বাঙ্গ বিমল জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হইয়া রহিয়াছে ! স্বপ্নে যতীশ বড় ব্যাকুল হৃদয়ে সেই মাতৃ-মূৰ্ত্তির দিকে অগ্রসর হইয়া গেল ; আশা চরণ স্পর্শ করিয়া ধন্য হইবে। মুক্তি ধীরে ধীরে সরিয়া গেল । শ্যামল ক্ষেত্র আলোকিত করিয়া সোণার ফসল ফলিয়াছে, সেই ক্ষেত্রের উপর দিয়া ; এ-পুষ্পাক্তৃত উপত্যকা পদ-শব্দে মুখরিত করিয়া ; পিযুষ-বাহিনী স্রোতস্বিনী-তরঙ্গ গতি-ভঙ্গে উচ্ছলিত করিয়া ; কত শান্ত তপোবনের DDDDB BD DD DDBDuDBD DD BBDBDDB SS S BBBBBBBBLB DD CD