পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৫৪ | . . আৰ্য্যাববৰ্ত্ত । ༣. 8སོགསོ་-ན། ज३थT । আর দুরে অদূরে গিরির গাত্রে সকল বৃক্ষে সকল লতায় কুসুম। সেই ফুলের গন্ধ-সেই মধুপের ঝঙ্কার-সেই বিহগের কুজন আমাকে পাগল করিয়া তুলিল। সেই আর এক দিনের কথা আমার মনে পড়িতে লাগিল । আমার বক্ষের বেদনা অশ্রুরূপে নয়নে দেখা দিল। হৃদয়ের বসন্ত না ফুৱাইতে এ দেহের বসন্ত ত ফুৱাইতে চলিলা ! হায়—আমার মত দুৰ্ভাগ্য কাহার ? রমণী যৌবনের বন্ধনে বদ্ধ করিয়া প্ৰণয়াস্পদকে নিকটে রাখে-তাহার পর সে বন্ধন শিথিল হইতে না হইতে সে তাহাকে অঙ্কস্থ শিশুর সেহবন্ধনে বঁাধিয়া চিরদিনের মত আপনার করিয়া লয়। আমার নারীজন্ম কি ব্যর্থ হইবে ? “আমার দুই চক্ষু ফাটিয়া অশ্রু বাড়িতে লাগিল। তাহার পর আমার মেষগুলির কথা আমার মনে পড়িল । আমি নিবন্ধ রের দিকে চাহিয়া দেখিলাম,- তাহারা সে দিকে, নাই। আমি ফিরিয়া পশ্চিম দিকে চাহিলাম। এ কি ?-- যাহার পথ চাহিয়া আমি জীবন যাপন করিতেছিলাম। সে কখন আমার হৃদয় হইতে বাহির হইয়া আমার সম্মুখে আসিল ? এ ষে বিশ্বাস করিবার নহে! আমি ভাল করিয়া দেখিবার জন্য চক্ষু মুছিয়া উঠিয়া দাড়াইলাম। এ সে-ই ! অস্তগামী রবি তাহার মুখে আপনার দীপ্তি মাখাইয়া দিয়াছে। সে আমাকে দেখিতে পাইল । সে দ্রুতপদে আমার নিকটে আসিল ; ডাকিল-“হামিদ !’ সে আহবানে আমার হৃদয়ে কত সুখ কত দুংখ, কত আশা কত আশঙ্কা, কত আকুলত কত বেদন উথলিয়া উঠিল। আমার নয়নে আবার অশ্রু ঝরিতে লাগিল ; আমার দেহ কম্পিত হইতে লাগিল। আমি তরুকাণ্ড ধরিবার জন্য হস্ত প্ৰসারিল করিলাম । সে আমাকে আলিঙ্গনবদ্ধ করিল-আমার ওষ্ঠাধারে-অশ্রুসজল নয়নপল্লবে-অশ্রুসিক্ত গণ্ডে তপ্ত চুম্বন অঙ্কিত করিয়া দিল। ‘সহসা দুরে বন্দুকের আওয়াজ শুনা গেল। আমাদের পার্শ্ব দিয়া গুলি চলিয়া গেল। আমার কোন আত্মীয় আসামীকে দেখিতে পাইয়াছে। আমি আপনাকে আলিঙ্গনমুক্ত করিয়া দ্বিতীয় গুলি আসিবার পূর্বে ষে দিক হইতে গুলি আসিয়াছিল। সেই দিকে ঘুরিয়া দাড়াইলাম। অল্প দুরে একখানা পাতরের উপর ধূম তখনও বাতাসে ভাসিতেছিল ; বন্দুকধারী পাতারের আড়ালে । গেল ; আমি তাহাকে চিনিতে পারিলাম না । আমি আসামীকে চলিয়া शांझे८ऊ दक्ीिठां । “তাহার পর এই মোকৰ্দমা।”