পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৫৬ : আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । 8 གསོ--4 ལ་ আনন্দ-বিদায় গুঞ্জ s ( দ্বিজেন্দ্ৰ-বিয়োগে ।) প্রথম যৌবনে বঙ্গীয় রঙ্গমঞ্চে নন্দ-বিদায়ের করুণ অভিনয় দেখিয়া কঁাদিয়াছি, আর আজ প্রৌঢ় বয়সে বাঙ্গালার জাতীয় জীবন হইতে আনন্দ-বিদায়ের -অলীক অভিনয় নহে-কঠোর বাস্তব সত্য প্ৰত্যক্ষ করিয়া কঁাদিতেছি । বাস্তবিকই কান্তিকবি ও দ্বিজেন্দ্রলালের তিরোধানের সঙ্গে সঙ্গেই আনন্দ আমাদের জাতীয় জীবন হইতে বিদায় লইতে বসিয়াছে। গুপ্তকবি হুতোম টেকচাদ দীনবন্ধু অনেক দিন গিয়াছেন ; “লোক রহস্যে’র বঙ্কিমচন্দ্ৰ ও ‘বাজীমাতে’র হেমচন্দ্ৰ আমাদিগকে ছাড়িয়াছেন ; ইন্দ্রনাথ, যোগেন্দ্ৰচন্দ্ৰ আমাদিগকে ফাকি দিয়া চলিয়া গিয়াছেন ; রবীন্দ্রনাথ আর ‘গোড়ায় গলদ” “প্রজাপতির নিৰ্ব্বন্ধ” ও হেঁয়ালি-নাট্য লিখিয়া “শুভ্ৰ সংযত কৌতুক-হাস্যের”সঞ্চার করেন না, তিনি জীবন-সন্ধ্যায়। সাধন-পথের যাত্রী হইয়াছেন, ও “গীতাঞ্জলি’ ভরিয়া ক্ষুধিত ভূষিত য়ুরোপ-আমেরিকাবাসীকে ধৰ্ম্মসুধা পান করাইতেছেন। তঁহার কথায় তাহাকেই বলি ‘दर्शिय श्रद्धांमां भांद्धि दांत्रि । ९७ || ८श, আছে দাড়াইয়ে উৰ্দ্ধমুখে নরনারী ॥” যে দুইজন সমসাময়িক কবি হাসির গান গাহিয়া ‘অন্নাভাবে শীর্ণ চিন্তাজরে জীর্ণ” বাঙ্গালী-জীবনে সরসতা আনিয়াছিলেন, তঁহারা একে একে পরপারের অন্ধকারে মিশিয়া গেলেন। কান্তকবি অভয়ার চরণে অভয় পাইয়াছেন, আনন্দময়ীর কোলে আনন্দ লাভ করিয়াছেন, মৃত্যুর ভিতরে অমৃতের আস্বাদ পাইয়াছেন। আর দ্বিজেন্দ্রলাল ? তিনি আজ, তাহার অপূর্ব সৃষ্টি শান্তার ন্যায়, মরণের পরপারে প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিত হইয়াছেন। “জীবনের দীপ নিতে গিয়েছে, বেদনার স্পন্দন থেমে গিয়েছে, স্নেহের মোম পুড়ে গিয়েছে, কৃষ্ণমেঘের উপর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, জন্মের উপর মৃত্যু গর্জে উঠছে।” । “গাঢ় হয়ে আসে রাত্রি ; অন্ধকারের আবরণ পড়ে গেছে। ছেয়ে গেছে উপত্যকা গিরি বন ; Albanimumunuduhan

  • বঙ্গীয় সাহিত্য-পরিষৎ কর্তৃক অনুষ্ঠিত দ্বিজেন্দ্র-স্মৃতি-সভায় পঠিত (৪ঠা শ্ৰাবণ, ১৩২৫) {

পরপায়ে’, শেষদৃশ্য।