পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VE, SORO, अन्मिन्छेँ-दिाश ! ७८१’ উপরে অনন্ত শূন্যে কোটি কোটি জ্যোতিষ্মান, ঋষিবৃন্দ সমস্বরে ধরেছেন ঐ সামগানএত গাঢ়! সে সঙ্গীতে ডুবে গেছে শব্দ তা’র জ্যোতিতে সে কেঁপে উঠে হয়ে গেছে একাকার । স্তব্ধ ধরা ; শিওরেতে কঁাদে শুধু বিল্পীরব ; ধরার বক্ষে দুরুদুরু করি মাত্র অনুভব। শুধু মহামৃত্যুসম কৃষ্ণ নভ ঘন স্থির ; পক্ষ দিয়ে ঘিরে আছে। এ রহস্য পৃথিবীর । , গাঢ় হতে গাঢ়তার হয়ে আসে। অন্ধকার ; এই বিশ্বে আমি একা, কেহ যেন নাহি আর । গভীর রাত্ৰি ! সহযাত্রী-কোথা তারা ? কেহ নাই, শ্ৰান্তপদে অন্ধকারে একা বাড়ী ফিরে যাই।” * পত্নী-বিয়োগ-বিধুর হইয়া কবি গভীর মৰ্ম্মবেদনায় গায়িয়াছিলেন

  • ‘চলেছি ত এইরূপেই এ জীবন-পথে

भांत्ठि-श्र४ि-शैन ; জানিনাও কখনো কি তাহার সঙ্গে দেখা হবে কোন দিন ; 米 来 来 এই সে ছিল, গেল কোথায় ? দেখা হবে। আবার किया q 5िश-विgष्छा ? আমি পারলাম না কি ; তবে তুমি করে দেও হে প্ৰভু é झश्9-Cठा |" + বিপত্নীক কবি আজ ‘বৃন্তচু্যত ভুলুষ্ঠিত মন্দারকুসুম” দুইটিকে সংসারপাথারে ভাসাইয়া দিয়া, তারা ব’লে পাড়ি দিয়াছেন, মৰ্ত্তের সুরাধাম ছাড়িয়া উৰ্দ্ধলোকের সুরধামে সুরবালার সহিত সম্মিলিত হইয়াছেন, তাহার অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর মিলিয়াছে, পত্নী-শোকের সন্তুনা হইয়াছে, রহস্যভেদ” হইয়াছে, “চিরবিচ্ছেদ ঘুচিয়াছে। তিনি বলিয়াছিলেন ‘আমি দেখেছি যেন দূরে, দূরত্বে অস্পষ্ট একটা আলোকিত স্থান ;- যেখানে সৌন্দৰ্য্য উৎস উঠছে, ও বঙ্কিত হচ্ছে অবিশ্ৰান্ত গান।

  • ‘প্রবাসে” কবিতা, ‘ত্ৰিবেণী’তে মুদ্রিত।

“effą, o