পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8ፍቖ* কেৰ আৰ্য্যাবৰ্ত্ত - སོག་སོ་ག་ཡང་རྫས་གང་གn། ། স্থাপত্যসম্বন্ধে তিনি বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রাপ্ত পৰ্য্যবেক্ষণসকারে পরীক্ষা করিতে সমৰ্থ। তাহার এই পুস্তকে তাহার সেই লৰূশিক্ষার পরিচয় প্ৰস্ফুট। তিনি মন্দিরাদির গঠন-বিশেষত্ব বুঝিবার ও বুঝাইবার জন্য সে সকলের পরিমাণাদিত্ব যেরূপ পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করিয়াছেন।--তাহাতেই উড়িষ্যার মন্দিরের বিশেষত্ব বুঝিবার বিশেষ সুবিধা হইয়াছে। তিনি সংস্কৃত সাহিত্যেও সুপণ্ডিত । অধ্যাপক রিজ ডেভিড তাহার ‘বৌদ্ধ ভারত’ পুস্তকে বলিয়াছেন, ফাগুসন ভারতীয় সাহিত্যের সহিত পরিচয়ের অভাবেই ভারতীয় শিল্পের স্বরূপনির্ণয়ে ভ্ৰান্ত হইয়াছিলেন। সেই সাহিত্যের সহিত পরিচয়ের অভাবে সার ইউলিয়ম হাণ্টার কিরূপ ভ্ৰম করিয়াছেন, তাহা পূর্বেই দেখাইয়াছি। আমাদের দেশে স্থাপত্য কিরূপ উন্নতি লাভ করিয়াছিল প্ৰাচীন মন্দিরাদিতেই তাহার পরিচয় পাওয়া যায়। বর্তমান সময়ে প্রতীচ্যে স্থাপত্য-সম্বন্ধে যেমন পুস্তক প্ৰকাশিত হইয়াছে ও হইতেছে, প্ৰাচীন ভারতে তেমনই শিল্প-সম্বন্ধে বহু পুস্তক ছিল। সেই সকল শিল্প শাস্ত্রের সন্ধান আমরা ক্রমে পাইতেছি। রামরাজ সর্বপ্রথম হিন্দু স্থাপত্যের আলোচনায় প্ৰবৃত্ত হইয়াছিলেন। তাহার পুস্তক ১৮৩৪ খৃষ্টাব্দে প্ৰকাশিত হইয়াছিল। তৎপূর্বেই তাহার মৃত্যু হয়। এই পুস্তকে তিনি লিখিয়াছিলেন, হিন্দুদিগের শিল্প-সম্বন্ধে যে বহু পুস্তক ছিল, তাহাতে আর সন্দেহ নাই। দুঃখের বিষয় বর্তমান সময়ে সে সকলের সন্ধানই পাওয়া না । কেহ বলেন, ৩২ খানি, কেহ বলেন, ৬৪ খানি শিল্পশাস্ত্ৰ ছিল । এক্ষণে সে সকলের নাম মাত্ৰ জানিতে পারা যায়। সারা উইলিয়ম জোক্ষস বলিয়াছিলেন, এই শিল্পশাস্ত্ৰে ৬৪ প্রকার শিল্পের বিবরণ ছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলি প্ৰধানতঃ স্থাপত্য ও ভাস্কৰ্য্যসম্বন্ধীয়। এই ৬৪ খানি পুস্তকের ৩২ খানি মুখ্য শাস্ত্র আর ৩২ খানি উপশান্ত্র। এই সকল গ্রন্থের আলোচনা করিলে উড়িষ্যার মন্দিরের বিশেষত্বগুলি বুঝিতে। আর কষ্ট হয় না। গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয় প্রভূত কষ্ট স্বীকার করিয়া শিল্পশাস্ত্রের নিয়মের আলোচনা করিয়া সে সকল বিশেষত্ব বুঝাইতে প্ৰয়াস পাইয়াছেন। গ্রন্থের সপ্তম অধ্যায়ে তিনি উড়িষ্যার মন্দিরের উপাদানের কথা বলিয়াছেন। প্ৰস্তর, কাষ্ঠ, ইষ্টক, লৌহ-এই সকল উপাদানের পরীক্ষা ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ করিয়া তিনি যে সকল সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছেন, সে সকল - গ্রন্থের মূল্য বৃদ্ধি করিয়াছে। উড়িষ্যার মন্দিরে লৌহের ব্যবহার দৃষ্ট হয়। লৌহের কড়ি তখন কিরূপে