পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (দ্বিতীয় বর্ষ - প্রথম খণ্ড).pdf/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ ১৩১৮ "অশোকের রাজকাৰ্য্য ও শাসন-পদ্ধতি। - ১৩১০ possessing any architectural character whose date can bšė extended back to the time when Alexander the ÇGreat visited India. . . . . . . . . . . . that nothing that can properly be called architecture is to be found there ( in India) till considerably after Alexander's time............ that the history of Art in India begins with............... the introduction of Buddhism as a state religion under Asoka in the middle of the 3rd century B.C. . . . . . . . . . . . . that stone architecture cominenced in India only 25o years before Christ" ডাক্তার রাজেন্দ্রলাল মিত্র মহাশয় তাহার প্রণীত "Antiquities of Orissa’ নামক গ্রন্থে এই মত খণ্ডন করিয়াছিলেন । তিনি স প্ৰমাণ করিয়াছেন। যে, ভারতীয় প্রস্তর স্থাপত্য যত দিনেরই পুরাতন হউক না কেন, ইহা গ্ৰীক বা এসিয়ার স্থাপত্য হইতে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র । ভারতীয় স্থাপত্যের নিয়ম, প্রকার ও গঠনপ্ৰণালী সম্পূর্ণ বিভিন্ন ; ইহা সম্পূর্ণ স্বদেশীয় এবং বিদেশীয় প্রভাব-বর্জিত। স্থানভেদে ও কালভেদে এই স্থাপত্যের রূপভেদ হইয়াছে বটে, কিন্তু ইহার মৌলিক বিষয়ত্ব বিন্দুমাত্র ও পরিবৰ্ত্তিত হয় নাই। সুতরাং আমরা যে গ্ৰীকগণের . নিকট প্রস্তর স্থাপত্য শিক্ষা করিয়াছি, এই কথা স্বীকার করা যায় না। আবার | মিঃ ফাগুসন ও ক্যানিংহাম স্বীকার করিয়াছেন যে, উড়িষ্যার খণ্ডগিরির ও । উদয়গিরির হস্তি গুম্ফ এবং বিহারের রাজগৃহস্থিত ‘রাজা জরাসন্ধের বৈঠক” । অভিধেয় প্রস্তর-দুর্গ শাক্য বুদ্ধের জন্মের পুর্বে নিৰ্ম্মিত । সুতরাং, অশোকের অন্ততঃ দুই শত বৎসর পুর্বেও যে ভারতে প্ৰস্তরগৃহ নিৰ্ম্মিত হইত, তাহা তাহারাও । একরূপ স্বীকার করিয়াছেন। পুরাতত্ত্ববিদ ৬/পুৰ্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায় মহাশয় নেপালের • তরাই প্রদেশে গোরক্ষপুর জিলায় কপিলাবস্তুর ধ্বংসাবশেষ আবিস্কার করিয়াছেন। ; তথায় বুদ্ধদেবের সময়ের ও তাহার পূর্ববৰ্ত্তী কালের প্রস্তর হৰ্ম্ম্যের ভগ্নাবশেষ বাহির হইয়াছে। এই সকল কারণে স্পষ্টই প্ৰতীয়মান হয় যে, প্ৰস্তর স্থাপত্য বহুকাল হইতে ভারতে প্ৰচলিত ছিল ; তলে হইতে পারে যে, অশোকের সময় হইতে ইহার প্রচলন বহুল পরিমাণে বৰ্দ্ধিত হইয়াছিল । চন্দ্রগুপ্তের রাজপ্রাসাদ কাষ্ঠনিৰ্ম্মিত হইলেও, বৃহৎ স্নবর্ণরঞ্জিত স্তম্ভসকল । তাহার শোভা বৰ্দ্ধন করিত। সেই সকল স্তম্ভে সুবর্ণের লতাপত্রের মধ্যে