পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (দ্বিতীয় বর্ষ - প্রথম খণ্ড).pdf/৩৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


eta YaYr आ१ කේෂ් ܘܢ( oo, পারি না। আমরা আমাদের মনের ভাব লইয়া কলাবিদ্যাকে দেখিবই দেখিব । আর এক BDS DDD D DBBBB gBBBB DBB DBDB BBDKS SDBBBSDBuB KLSDDD DD S S DDDDS DD DBBDBS হিসাবে তাহার কিছু না কিছু ক্ৰটি থাকিয়াই যায়। সেই ক্রটিই তাহার ভাবগত তার মানদণ্ড । শিল্পী যাহাকে খাটি বাস্তব শিল্পে পরিণত করিবে মনে করে, তাহাতে তাহারই অজ্ঞাতে কল্পনা আসিয়া প্ৰতিফলিত হয়। সেই জন্য যন্ত্রজ শিল্প ব্যতীত সকল শিল্পই সম্পূর্ণ বাস্তব অথবা সম্পূর্ণ ভাবমূলক হয় না। তবে যাহার সহিত প্ৰাকৃতিক পদার্থের সৌসাদৃশ্য অত্যন্ত অধিক, তাহাকেই আমরা বস্তুগত এবং যাহা কেবল আমাদের কল্পনা, বিশ্বাস ও পরম্পরাগত ধারণার প্রতিচ্ছবিমাত্ৰ-বস্তুজগতে যাহার সদৃশ কিছুই নাই,--তাহাকেই আমরা ভাবমূলক *कलांद्धि दलियां थोंकि । উপরে নির্দিষ্ট দুইটি চরম বিভক্ত চিত্রশিল্পের মাঝামাঝি অনেক কলাশিল্পের স্তর আছে। () যুরোপীয়রা সেইরূপ শিল্পেরই সেবা করিয়া থাকেন। যন্ত্রদ্বারা वाख ८क ? প্ৰতিফলিত বা নিৰ্ম্মিত কোনও বস্তুর প্রতিকৃতিকে তঁাহারা কলাবিদ্যার মধ্যেই পরিগণিত করিতে সম্মত নহেন। তঁাহারা বলিয়া থাকেন যে, যাহাতে মানবের কোন প্ৰবল মনোভাৰ প্ৰতিফলিত হয় নাই,--তাহাকে BYYBD DDB KDD BD DD KHD DDSS SBLBDDS S BBBBT S BBDBD DBDDS মূলক। ঐ শিল্পের যথেষ্ট গুণ আছে ; কিন্তু তথাপি যুরোপীয়গণ র্তাহাকে “অস্বাভাবিক।” বলিয়া নাসিক কুঞ্চিত করিতে কুণ্ঠ বোধ করেন না। তঁহাদের এই অবজ্ঞার কারণ বিশ্লেষণ করিয়া দেখা আবশ্যক। বিশ্লেষণে তঁহাদের ঐ ধারণা পরস্পরবিরোধী মতের উপর প্রতিষ্ঠিত, পূর্বার্জিত ভ্ৰান্ত সংস্কারদ্বারা আবিল কিম্বা ন্যায়সঙ্গত তাহা প্রতীয়মান হইবে। দুই দিক হইতেই ইহার বিচার করা অবশ্যক। চিত্রশিল্প, ভাস্কর্যশিল্প প্ৰভৃতি শিল্পকলা মানবের আভ্যন্তরীণ ভাবেরই বাহবিকাশ ইহা সত্য ; শিল্পকলায় সেই আভ্যন্তরীণ ভাব যখন প্ৰতিফলিত জড়েরই প্ৰাধান্য । থাকে, তখন তাহার সহিত খেয়াল, উদামত ও অবিবেচকতাও প্ৰতিবিম্বিত হয়। বাস্তব পদার্থের সহিত তুলনা করিয়া সেই অস্বাভাবিকতা পরিহার করা আবশ্যক। ইহা যুরোপীয় শিল্পীয় স্বপক্ষীয় উক্তি। ডাক্তার ওসালে এই বিষয়টি কারবারের অংশীদারের দৃষ্টান্ত দ্বারা পরিস্ফট ও বিশদ করিয়া দিয়াছেন। মনে করুন, কোনও কারবারের দুইজন অংশীদার, একজন প্ৰবীণ আর একজন নবীন। নবীন অংশীদার মহাশয়কে একটা কাৰ্য্য পদ্ধতি স্থির করিয়া অনুমোদনার্থ তাহা প্ৰবীণ অংশীদারের নিকট উপস্থিত করিতে হয় । প্ৰবীণ অংশীদার উহার পরিবর্তন ও আংশিক পরিবর্জন করিয়া দিলে, তবে তাহা সাধারণের নিকট প্ৰকাশ পায়। এ ক্ষেত্রে যেমন প্ৰবীণ অংশীদারের প্রভাবই প্ৰবল, সেইরূপ য়ুরোপীয় শিল্পকলায় প্ৰাকৃতিক পদার্থের প্রভাবই প্ৰবল। জড়াজগতই এস্থলে প্ৰবীণ অংশীদারের মত প্রভাবসম্পন্ন। মানবের মনোভাব শিল্পকলায় যাহাই প্ৰতিফলিত করুক না কেন, তাহা পরিশেষে জড়াজগতের নিকট অনুমোদনার্থ প্রেরণ করিতেই হইবে। প্ৰকৃতি তাহাকে কাটিয়া ছাটিয়া যথাসম্ভব আপনার সৃষ্ট পদার্থের অনুরূপ করিয়া দিলে তবে তাহা শিল্পকলা বলিয়া গ্ৰাহ হইবে। এস্থলে আভ্যন্তরীণ ভাব বাহ বস্তুর ছন্দানুবৰ্ত্তী । এরূপ শিল্পকলায় আভ্যন্তরীণ ভাব অল্পবিস্তর eBDBD uDBLB uD BDBDBDBD DB DDB DDBBDB . . . ডাক্তার এ, কে, কুমারস্বামী দেখাইয়াছেন যে, ভারতীয় ধৰ্ম্মসম্পাক্ত শিল্পকলা ভাবমূলক। BD SYYD DBB DBBBS C BBB DDD SBBDB DDDDD ভারতীয় কলাবিদ্যা অস্তিত্ব নাই। সেই জন্য যাহারা পদার্থমূলক শিল্পকলার সেবক, তাহাদের নিকট উহা কিভতকিমাকার ও অস্বাভাবিক বলিয়া বোধ হয়। ডাক্তার ওসালে বলেন, ভারতীয় ধৰ্ম্মজীবনে আধ্যাত্মিকতাই প্ৰবল, সেই জন্য।