পাতা:আর্য্য-নারী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/১০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

আর্য্য-নারী । ( R ) নিবিশেষ শক্তি ও প্রতিভাশালী কর্ম্মচারী পাইলে সকল রাজাই আপনাকে সৌভাগ্যবান মনে করেন । রাজ্যরক্ষণ ও রাজ্যশাসনে এইরূপ কর্ম্মচারীর সহায়তা সর্ববথা। প্রয়োজন । কোন রাজাই এইরূপ কর্ম্মচারী সহজে হরাইতে চান না। কিন্তু ঔরঙ্গজেবের বুদ্ধি ও প্রকৃতি এ বিষয়ে একেবারে বিপরীত রকমের ছিল। তিনি পৃথিবীতে কাহাকেও বিশ্বাস করিতেন না । অধীনস্থ কোন কর্ম্মচারীর মধ্যে বিশেষ কোনো শক্তি বা প্রতিভার বিকাশ দেখিলে তাহার যারপর নাই ভয় ও ঈর্ষ্যা হইত । তিনি মনে করিতেন, এ ব্যক্তি কবে আমার সিংহাসন কাড়িয়া লইবে ! প্রবল শক্তিশালী যশোবন্তসিংহের উপর বাদাসাহের মনোভাব এই প্রকার হইয়া উঠিল। প্রকাশ্যে শক্রিতা সাধন করিবার সাহস নাই। কৌশলে ও গোপনে যশোবন্তকে সবংশে নিধন করিতে যশোবস্তের প্রভু ভারত সম্রাটু দৃঢ়সংকল্প হইলেন। যেখানে শক্র প্রবল, যুদ্ধ কঠিন, সেইখানেই ঔরঙ্গজেব যশোবন্তকে পাঠাইতেন । কিন্তু যশোবন্ত মরেন। না, জয়লাভ করিয়া ফিরির আসেন ! বাদসহ রুদ্ধরোষে উন্মত্তের প্রায় হইলেন । অবশেষে কাবুল প্রদেশে ঘোরতর বিপ্লব উপস্থিত হইল। যশোবন্ত কাবুলে প্রেরিত হইলেন । এই অবসরে কৌশলে ঔরঙ্গজেব যশোবস্তের জ্যেষ্ঠপুত্র পৃথুিসিংহকে হত্যা করিলেন।