পাতা:আর্য্য-নারী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/১৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

আর্য্য-নারী বিবাহের প্রার্থনা করিলেন। দলপৎ উচ্চকুলজাত নন। বলিয়া মহারাজ এই প্রার্থনা অগ্রাহা করিলেন । পিতা বীরত্বের সম্মান বুঝিলেন না, দুৰ্গাবতী ইহাতে বড়ই দুঃখিত হইলেন। সখীরা জিজ্ঞাসিল,-“এখন উপায় কি ? কি করিবে ?” 银 দুৰ্গাবতী কহিলেন,-“রূপে ও বীর্য্যে দলপৎ মানবরূপে দেবতা। তার দেবমূর্ত্তি আমি হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত করিয়া • পূজা করিতেছি। তিনিই, আমার স্বামী। অন্য পুরুষকে আমি दिवोझ कब्रिद न ।।” সখীরা কহিল,-“তোমার পিতা তো সম্বন্ধ প্রত্যাখ্যান করিলেন। কি প্রকারে তঁহাকে লাভ করিবে ?” দুৰ্গাবতী কহিলেন,-“নামে যেমন, কাজেও যদি তিনি র্তেমান বীর হন, পিতার প্রত্যাখ্যানে তিনি নিরস্ত হইবেন না । আমি যে তঁাহাকেই মনে মনে পতিত্বে বরণ করিয়াছি, এ কথা তিনিই জানেন। জানিয়াই আমাকে বিবাহু করিতে চাহিয়াছেন। পিতা মত দিলেন না বলিয়াই কি তিনি ফিরিবেন ? কোন ক্ষত্রিয় বীর বীর্য্যবতী ক্ষত্রিয়বালার-প্রেম উপেক্ষা করিতে পারে ? কোন ক্ষত্রিয় রাজা সহজে আকাঙিক্ষত কুমারীকে পাইবার আশা ত্যাগ করে ? অৰ্জ্জুন সুভদ্রাকে বলপূর্বক হরণ করিয়া বিবাহ করেন ; স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ ইহার অনুমোদন করিয়াছেন। দিল্লীশ্বর পৃথুিরাজিও, সংযুক্তা তার প্রতি অনু--শিল্পী শিনিষ বলপর্বক তাহাকে হরণ করিয়া বিবাহ করেন ।