পাতা:আর্য্য-নারী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

चारी-बाह्रौं । মানে তাহার সর্বাঙ্গ কম্পিত হইতে লাগিল। মালদেব যদি আততায়ীর ন্যায় রাজপুরীতে নিমন্ত্রণ করিয়া গোপনে তঁহাকে হত্যা করিতে চাহিত, তাহা হইলেও এত ক্ষোভ তাহার झंझेऊ का । “কিন্তু তাহার পরিণীতা মালদেব-কন্যা সম্মুখে দণ্ডায়মান। মালদেব-কন্যা পরম সুন্দরী। অতুলনীয় সরলতা, মহাপ্রাণতা * ও আত্মত্যাগের মহিমা সে সৌন্দর্য্যে যেন স্বর্গের উজ্জ্বলতা ঢালিয়া দিয়াছে। রমণীসুলভ কোমলতায় চরিত্রের দৃঢ়তা ও তেজস্বিতা মিলিয়া সে মুখে অপূর্ব শ্রীবিকাশ করিয়াছে। হামির চাহিয়া দেখিলেন। দেখিয়া তাহার প্রাণ মুগ্ধ হইল। রোষ ও অভিমানের আবেগ, ধীরে দমিয়া আসিল ৰ মালদেবকন্যা অ্যাবার কহিলেন,-“মহারাণা, আমাকে আপরাধিনী মনে করিবেন না । বিবাহের মন্ত্র মাত্র উচ্চারিত হইয়াছে ; এখনো এই হীন দেহের স্পর্শে আপনার চরণ কলঙ্কিত হয় নাই । সমস্ত ঘটনা নিবেদন করিলাম। এই মুহূর্ত্তেই আমাকে ত্যাগ করিয়া আপনার মহৎ বংশ আপনি নির্ম্মল ও নিষ্কলঙ্ক রাখিতে পারেন । পূর্বের বিবাহ বা স্বামীর স্মৃতি-মাত্র আমীর প্রাণ স্পর্শ করে নাই। কুমারীর ন্যায় চিত্ত আমার নির্ম্মল!” মালদেব-কন্যা। আবার বলিলেন,-“আমার নিজের পক্ষে স্বামী বলিয়া আপনাকে পূজা করিতে আমি অধিকারিণী, তাই এই বিবাহের বাদিনী আমি হই নাই। মনে করিয়াছিলাম, সমস্ত ঘটনা আপনাকে বলিব, যদি ঐ অবস্থায় আপনার