পাতা:আলোকিত সমাবেশ.pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

*৭১ এর জন্মভূমিতে করপুটে অমল জ্যোৎস্না ভরে আমি একা বসে জাগি প্রান্তরে প্রান্তরে মরসুমী ফুল, এস্রাজের ছড়টানা নারীর কোমল গ্রীবা ; অথবা অন্য কোনো দূরতর নক্ষত্রের গান শিশুর কোমল অশ্রুর মত টপ টপ ঝরে । শীতের কুয়াশা নামে—-মুক্তি দাও ! মুক্তি দাও । প্রাথর্ণনার গায়ত্রী মন্ত্র আকাশ কঁপায় । শঙ্খধবল হাত তুলে সে আমাকে ডাক দিল তৃণসমারোহ প্রান্তরে প্রদোষের ছায়াচ্ছন্ন আলিঙ্গণে, তারই স্মতিতে জেগে আছি জ্যোৎস্নানিলীম হয়ে । তরলিত স্বর্ণসূর্য ভোরের আশিস হোক । অঙ্কুরিত হোক বৃক্ষশাখ, ফুলের বুকেতে কাপুক নারীর নম্র বচন ? প্রান্তরে ঘাসের আঁচলে থাকুক খাচার দাক্ষিণ্য । যেহেতু পৃথিবী এখন স্তব্দ ; মৃত করুণ ভারবাহী শবের মতন । হাড়-মজ-মেদ-অস্থি, মানুষের প্রেয়সার অন্তিম করুণ রং ; কাকন হীন হাত কঁপিছে যেন নতজানু বৃক্ষের প্রার্থনা | নবজাতকের মুখে ফোটে বিষাক্ত স্বপ্নের ঘোর, কর্দমাক্ত রাজপথে পিচ্ছিল সরীস্বপের ক্লেদাক্তত ; জ্যোতিহীন চতুর্দিকে অজস্র রক্তের প্লাবন ; নিঃশেষিত মধ্যরাত্র ; অন্ধকার ভ্রুকুটি ভয়াল , যুবতীর স্বায়ুতে বিচ্ছিন্ন প্রলাপ ধ্রুব মুখোপাধ্যায়ের কবিতা