পাতা:আলোচনা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মার সীমা । - - } e 3 তাহার সেই খাদ্যাধার মণ্ডলী তাহার সঙ্গে সঙ্গে অলক্ষিত ভাবে ফিরিতেছে। যে ব্যক্তি সোঁন্দর্য্যপ্রিয়, সে তাহার দেহের মধ্যে, তাহার চৰ্ম্মাবরণ টুকুর মধ্যে, বাস করে না। সে তাহার চারিদিকের তরুলতার মধ্যে আকাশের জ্যোতিষ্ক মণ্ডলীর মধ্যে বাস করে । সে যেখানেই যায় চন্দ্রসূৰ্য্যময় আকাশ তাহার সঙ্গে সঙ্গে ফিরে, তৃণ-পত্র পুষ্পময়ী বনশ্ৰী তাহাকে ঘিরিয়া রাখে। ইহার তাহার ইক্রিয়ের মত। চন্দ্র সূর্যের মধ্য দিয়া সে কি দেখিতে পায় ; কুসুমের সৌগন্ধা ও সৌন্দদের সাহায্যে তাতার হৃদয়ের ক্ষুধা নিবৃত্ত হইতে থাকে। এই মণ্ডলীর বিস্তার লইয়া মানুষের ছোটবড়ত্ব। মনুষের যে দেহ মাপিতে পারা যায়, সে দেহ গড়ে প্রায় সকলেরই সমান। কিন্তু যে দেহ দেখা যায় না, মাপা যায় না, তাহার ছোট বড় সামান্য নহে। এই দেহ, এই মণ্ডলী,