পাতা:ইতিকথার পরের কথা.pdf/১৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

মোর বুঝি পয়সা রইতে নেই ? একজন মোর মাকড়ি বেচে শখ করে। জেলে যেতে পারবেন, আমি কিছু বেচতে পারি। নে ? আসবে তো এস লক্ষ্মীদি, নইলে আমি একলাটি আজ-- শুভর দিকে সে ফিয়েও তাকায় না, যেন গ্রাহের মধ্যেই আনে না তার উপস্থিতি। অথচ মুখোমুখি দাড়িয়ে সে শুভর সঙ্গে কথা বলছিল এটা নিশ্চয়, নজরে পড়েছে। গাদার । লক্ষ্মীর মনে একটা সন্দেহ জাগে । দেখা যায় সন্দেহ তার মিথ্যা নয় । শুভ একটু তফাত হতেই গাদা বেশ খানিকটা গর্বের সঙ্গে বলে, দেখলে তো; কেমন বঁাচিয়ে দিলাম তোমাকে ! লক্ষ্মী হেসে বলে, থ্যাবড খাবি ? বাসনের কারখানা ? জগদীশ যেন আকাশ থেকে পড়ে। শুভ শেষ পর্যন্ত পেশা নেবে কাসাবির ! শুভ তাকে আশ্বাস দিয়ে বলে, আমি ঠিক লাইন ফলো করছি। আমি আগের বার ভুল করেছিলাম। আপনি টিনের ল্যাম্পের কামারখানা বজায় রেখে আরেকটা ভুল করেছেন। আমি সব ভুল সংশোধন করে নিচ্ছি। বটে । জগদীশ চটবে না। অভিমান করবে বুঝতে পারে না। শুভ বুঝিয়ে বলে। এখানে নবশিল্প মন্দির গড়ে শুভ যে স্টোভ আর গ্যাসের লণ্ঠন তৈরি করতে চেয়েছিল তাতে দুটো আসল হিসাবেই থেকে গিয়েছিল গলদ । ওসব জিনিস তৈরি করার কারিগর। আর মাল কাটাবার বাজার দুই-ই ছিল তার আয়ত্তের বাইরে । ওসব জিনিস তৈরি করার কাজ যারা শিখেছে তারা হয়ে গেছে। শহরের শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা, এই বিচ্ছিন্ন এলাকায় কারখানা করা: মানেই তাদের উঠিয়ে এনে নূতন করে বসতির ব্যবস্থা করা। যে জগতের যে Sv)